মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
বিনিয়োগই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার —বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী্ বিএনপির শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ঐতিহ্য ধরে রেখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ঝিনাইদহে পিতার ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশুকন্যার মৃত্যু অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা হবে না, এমনটা হবে না, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শেরেবাংলা নগর, হাজারীবাগ ও মুগদা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৩ জন গ্রেফতার আশুলিয়ায় মাদক মামলার সাক্ষীকে প্রাণনাশের হুমকি, পুলিশে জিডি, টেন ইয়াসিন ও কিশোর গ্যাংয়ের আতঙ্কে স্থানীয়রা! ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়তো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় —- নাহিদ ইসলাম হাওর ও দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাসেবা আরও কার্যকর করতে সরকার নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীর হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিল সিআইডি

বেদেনা লিচুর রপ্তানি চান লিচু চাষীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

কৌশিক চৌধুরী হিলি (হাকিমপুর) প্রতিনিধিঃ

লিচুর জন্য বিখ্যাত উত্তরের জেলা দিনাজপুর। চাষের জন্য উপযোগী বেলে-দোআঁশ মাটি হওয়ায় এই অঞ্চলে লিচুচাষে আগ্রহের কমতি নেই কৃষকের। এখানে চাষ হয় মাদ্রাজি, বোম্বাই, বেদানা, চায়না থ্রি, কাঁঠালি আরো অনেক জাতের লিচু। তবে বেদেনা জাতের লিচুকে বলা হয় ‘লিচুর রাজা’।

স্বাদ, গন্ধ, রস এবং মিষ্টতায় অনন্য এই লিচু এবার পেয়েছে ভৌগোলিক নির্দেশক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি।

গত ৩০ এপ্রিল দিনাজপুরের বেদেনা লিচু জিআই পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। দীর্ঘদিনের এই স্বীকৃতি পাওয়ায় আনন্দিত কৃষক ও বাগানমালিকরা। তবে তারা শুধু স্বীকৃতি নয়, লিচু বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ দেখতে চান। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য লিচু উৎপাদনে কাজ চলছে। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর ও বিরল উপজেলার মাধববাটি এলাকাকে বেদেনা লিচুর প্রধান উৎপাদন এলাকা হিসেবে ধরা হয়। এই অঞ্চলের উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়া লিচু উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সরজমিনে মাসিমপুর এলাকায় দেখা গেছে, গাছের পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় লিচু ঝুলছে, যেগুলোতে লালচে রং ধরতে শুরু করেছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই লিচু পরিপক্ব হয়ে বাজারজাত শুরু হবে। মাঠপর্যায়ে এখন চলছে পরিচর্যা, পানি সেচ ও কীটনাশক স্প্রে।
বাগান মালিক রফিকুল বলেন, ‘বেদেনা লিচু স্বীকৃতি পেয়েছে, এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে বিদেশি আগ্রহ বাড়বে, দেশের সুনাম হবে, কৃষকেরাও লাভবান হবেন। তবে শুধু স্বীকৃতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।’লিচুচাষি মহব্বত আলী বলেন, ‘স্বীকৃতি পাওয়াটা অনেক বড় অর্জন। লিচু রপ্তানি শুরু হলে দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। কৃষি কর্মকর্তারা আরও সহযোগিতা করলে, মানসম্মত উৎপাদন বাড়বে।’

বাগানমালিক আসাদুল হক বলেন, ‘এখানে প্রতি পিস লিচু সাত থেকে আট টাকায় বিক্রি হয়, ঢাকায় একটু বেশি। বিদেশে রপ্তানি হলে এখান থেকেই ১১ থেকে ১২ টাকা দামে বিক্রি করতে পারবো। এতে আমরা লাভবান হবো, দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হবে। বাজারে লিচুর সরবরাহ বেশি হলে দাম পড়ে যায়, রপ্তানি হলে সে সমস্যা থাকবে না। হিমাগার নির্মাণ হলে আরও সুবিধা হবে।’ বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102