বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
দুর্গম এলাকায় দ্রুত যাতায়তের জন্য স্পিড বোড প্রদান করেন সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের মাননীয় এমপি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে আজ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জলঢাকায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের চেয়ার নিয়ে নতুন বিতর্ক, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পিআরএল ছুটি গমনের দিনই পুলিশ সদস্যের হাতে লাম্পগ্রান্ট বিলের চেক তুলে দিলেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কুমিল্লা তিতাসে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাজউদ্দিন ভূঁইয়ার ব্যাপক গণসংযোগর ও প্রচারণা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি পিরোজপুরের আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত- সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী সহ উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বেদেনা লিচুর রপ্তানি চান লিচু চাষীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে

কৌশিক চৌধুরী হিলি (হাকিমপুর) প্রতিনিধিঃ

লিচুর জন্য বিখ্যাত উত্তরের জেলা দিনাজপুর। চাষের জন্য উপযোগী বেলে-দোআঁশ মাটি হওয়ায় এই অঞ্চলে লিচুচাষে আগ্রহের কমতি নেই কৃষকের। এখানে চাষ হয় মাদ্রাজি, বোম্বাই, বেদানা, চায়না থ্রি, কাঁঠালি আরো অনেক জাতের লিচু। তবে বেদেনা জাতের লিচুকে বলা হয় ‘লিচুর রাজা’।

স্বাদ, গন্ধ, রস এবং মিষ্টতায় অনন্য এই লিচু এবার পেয়েছে ভৌগোলিক নির্দেশক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি।

গত ৩০ এপ্রিল দিনাজপুরের বেদেনা লিচু জিআই পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। দীর্ঘদিনের এই স্বীকৃতি পাওয়ায় আনন্দিত কৃষক ও বাগানমালিকরা। তবে তারা শুধু স্বীকৃতি নয়, লিচু বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ দেখতে চান। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য লিচু উৎপাদনে কাজ চলছে। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর ও বিরল উপজেলার মাধববাটি এলাকাকে বেদেনা লিচুর প্রধান উৎপাদন এলাকা হিসেবে ধরা হয়। এই অঞ্চলের উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়া লিচু উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সরজমিনে মাসিমপুর এলাকায় দেখা গেছে, গাছের পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় লিচু ঝুলছে, যেগুলোতে লালচে রং ধরতে শুরু করেছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই লিচু পরিপক্ব হয়ে বাজারজাত শুরু হবে। মাঠপর্যায়ে এখন চলছে পরিচর্যা, পানি সেচ ও কীটনাশক স্প্রে।
বাগান মালিক রফিকুল বলেন, ‘বেদেনা লিচু স্বীকৃতি পেয়েছে, এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে বিদেশি আগ্রহ বাড়বে, দেশের সুনাম হবে, কৃষকেরাও লাভবান হবেন। তবে শুধু স্বীকৃতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।’লিচুচাষি মহব্বত আলী বলেন, ‘স্বীকৃতি পাওয়াটা অনেক বড় অর্জন। লিচু রপ্তানি শুরু হলে দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। কৃষি কর্মকর্তারা আরও সহযোগিতা করলে, মানসম্মত উৎপাদন বাড়বে।’

বাগানমালিক আসাদুল হক বলেন, ‘এখানে প্রতি পিস লিচু সাত থেকে আট টাকায় বিক্রি হয়, ঢাকায় একটু বেশি। বিদেশে রপ্তানি হলে এখান থেকেই ১১ থেকে ১২ টাকা দামে বিক্রি করতে পারবো। এতে আমরা লাভবান হবো, দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হবে। বাজারে লিচুর সরবরাহ বেশি হলে দাম পড়ে যায়, রপ্তানি হলে সে সমস্যা থাকবে না। হিমাগার নির্মাণ হলে আরও সুবিধা হবে।’ বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102