বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ইট ভাটায় কোন ভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না —–পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু আড়াইহাজারের তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার তাঁতশিল্পের আধুনিকায়নে নতুন মাইলফলক: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী সার্কের মহাসচিব গোলাম সারওয়ার-এর ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে কাজ করছে সরকার —- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কানাডার সঙ্গে প্রাণিসম্পদ-খাদ্য নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ সকলের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ কাজ করছে —বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদ থেকে মন্ত্রণালয় অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া এমপির প্রচেষ্টায় ১০০ শয্যার হোমনা সরকারি হাসপাতাল চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বিষয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর বিবৃতি চুয়াডাঙ্গায় দামুড়হুদা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার ৮টি স্বর্ণের বারসহ স্বর্ণ পাচারকারী আটক

বেদেনা লিচুর রপ্তানি চান লিচু চাষীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

কৌশিক চৌধুরী হিলি (হাকিমপুর) প্রতিনিধিঃ

লিচুর জন্য বিখ্যাত উত্তরের জেলা দিনাজপুর। চাষের জন্য উপযোগী বেলে-দোআঁশ মাটি হওয়ায় এই অঞ্চলে লিচুচাষে আগ্রহের কমতি নেই কৃষকের। এখানে চাষ হয় মাদ্রাজি, বোম্বাই, বেদানা, চায়না থ্রি, কাঁঠালি আরো অনেক জাতের লিচু। তবে বেদেনা জাতের লিচুকে বলা হয় ‘লিচুর রাজা’।

স্বাদ, গন্ধ, রস এবং মিষ্টতায় অনন্য এই লিচু এবার পেয়েছে ভৌগোলিক নির্দেশক জিআই পণ্যের স্বীকৃতি।

গত ৩০ এপ্রিল দিনাজপুরের বেদেনা লিচু জিআই পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। দীর্ঘদিনের এই স্বীকৃতি পাওয়ায় আনন্দিত কৃষক ও বাগানমালিকরা। তবে তারা শুধু স্বীকৃতি নয়, লিচু বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ দেখতে চান। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিদেশে রপ্তানিযোগ্য লিচু উৎপাদনে কাজ চলছে। দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর ও বিরল উপজেলার মাধববাটি এলাকাকে বেদেনা লিচুর প্রধান উৎপাদন এলাকা হিসেবে ধরা হয়। এই অঞ্চলের উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়া লিচু উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সরজমিনে মাসিমপুর এলাকায় দেখা গেছে, গাছের পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় লিচু ঝুলছে, যেগুলোতে লালচে রং ধরতে শুরু করেছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই লিচু পরিপক্ব হয়ে বাজারজাত শুরু হবে। মাঠপর্যায়ে এখন চলছে পরিচর্যা, পানি সেচ ও কীটনাশক স্প্রে।
বাগান মালিক রফিকুল বলেন, ‘বেদেনা লিচু স্বীকৃতি পেয়েছে, এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে বিদেশি আগ্রহ বাড়বে, দেশের সুনাম হবে, কৃষকেরাও লাভবান হবেন। তবে শুধু স্বীকৃতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে রপ্তানির সুযোগ তৈরি করতে হবে।’লিচুচাষি মহব্বত আলী বলেন, ‘স্বীকৃতি পাওয়াটা অনেক বড় অর্জন। লিচু রপ্তানি শুরু হলে দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। কৃষি কর্মকর্তারা আরও সহযোগিতা করলে, মানসম্মত উৎপাদন বাড়বে।’

বাগানমালিক আসাদুল হক বলেন, ‘এখানে প্রতি পিস লিচু সাত থেকে আট টাকায় বিক্রি হয়, ঢাকায় একটু বেশি। বিদেশে রপ্তানি হলে এখান থেকেই ১১ থেকে ১২ টাকা দামে বিক্রি করতে পারবো। এতে আমরা লাভবান হবো, দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হবে। বাজারে লিচুর সরবরাহ বেশি হলে দাম পড়ে যায়, রপ্তানি হলে সে সমস্যা থাকবে না। হিমাগার নির্মাণ হলে আরও সুবিধা হবে।’ বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102