বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জলঢাকায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের প্রতিরোধে জনসচেতনমুলক সভা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, আহমেদ আবু জাফরের সঙ্গে এম হোসাইন আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ পলাতক চেয়ারম্যানের ছায়া নিয়ন্ত্রণে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স? হাইকোর্টের রায়ে চেয়ারম্যান পদে পুনর্বহাল জাহাঙ্গীর আলম সরকার কুমিল্লা তিতাসে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার গণসংযোগ পিবিআই ঢাকা জেলা কর্তৃক ঘটনার দেড় বছর পর আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর পুকুরে ভাসমান জনি হত্যা মামলার রহস্য উম্মোচন বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিনকে বীমা কোম্পানির এমডিদের অভিনন্দন; বীমা খাতের উন্নয়ন, আস্থা ফেরানোর তাগিদ কুমিল্লা তিতাসে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফী হাসপাতালের বাথরুম পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিতে চান

পিবিআই ঢাকা জেলা কর্তৃক ঘটনার দেড় বছর পর আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর পুকুরে ভাসমান জনি হত্যা মামলার রহস্য উম্মোচন

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

তারিখঃ ২৫/০৬/২০২৬খ্রিঃ

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার মধুপুর এলাকায় জনৈক নাজমুল হোসেন এর পুকুরে ভাসমান চাঞ্চল্যকর হাসিবুল ইসলাম জনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আসামি মোঃ শাহ জালাল সরকার এবং মোঃ সাইফুল ইসলামকে মামলা রুজু হওয়ার দেড় বছর পর গ্রেফতার করেছে পিবিআই ঢাকা জেলা।

গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন মধুপুর উত্তরপাড়া এলাকায় হাসিবুল ইসলাম জনি (২১), পিতা- মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাতা-নিলুফা বেগম, সাং- হরিচরণ, লস্কর, থানা-কাউনিয়া, জেলা-রংপুর, এ/পি- মধুপুর মোঃ শুকুর আলী বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা কে অজ্ঞাতনামা আসামীরা মারপিট করে হত্যা করতঃ জনৈক নাজমুল হোসের এর পুকুরে লাশ ফেলে দেয়া হয়। ঘটনার ৪ (চার) দিন পর পুকুরে জনি’র অর্ধগলিত মৃতদেহ ভেসে উঠলে আশুলিয়া থানা পুলিশ পুকুর হতে মৃতদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মোঃ শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ৮/১০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যা আশুলিয়া থানার মামলা নং ২৭, তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। পিবিআই এর সিডিউল ভুক্ত হওয়ায় গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ পিবিআই ঢাকা জেলা স্বউদ্যোগে মামলাটি অধিগ্রহণ করে এবং উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ মাহবুব হোসেনকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। হত্যাকাণ্ডে আসামিদের অবস্থান সনাক্তকরণ এবং গ্রেফতারে পিবিআই ঢাকা জেলা টিম প্রথম থেকেই ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে।

পিবিআই প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় এবং পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম, এন, মোর্শেদ, পিপিএম-সেবা এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই এর তদন্ত টিম তদন্তে প্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ শাহজালাল সরকার (২৮), পিতা- আলমগীর সরকার, সাং-পটল, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা, এ/পি-সাং- মধুপুর জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা এর দেওয়া তথ্য মতে গত ১৮ জুন ২০২৬ আশুলিয়া থানাধীন মধুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার ঘটনায় জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত অপর আসামি মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪০), পিতা- নূর আলী খান, সাং- উদয়পুর, থানা-পাংশা, জেলা-রাজবাড়ী, এ/পি- মধুপুর মুন্না মাতবর এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামি শাহ জালাল সরকারকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারায় প্রাপ্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি শাহ জালাল সরকার এবং মোঃ সাইফুল ইসলামসহ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিরা মাদক ব্যবসার বিরোধ ও ক্ষোভের জের ধরে নিহত হাসিবুল ইসলাম জনিকে হত্যা করে জনৈক নাজমুল হোসেন এর পুকুরে মৃতদেহ ফেলে দেয়। ঘটনার দিন ভিকটিম হাসিবুল ইসলাম জনি ও সঙ্গীয় বন্ধু সোহাগ ও রানা খানন্বয় ঘটনাস্থলে মাদক সেবন ও বিক্রয় করছিল। উক্ত মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতারকৃত আসামি শাহ জালাল সরকার ও মোঃ সাইফুল ইসলামসহ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীরা লাঠি শোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ভিকটিমের বন্ধু সোহাগ ও রানা খান পার্শ্ববর্তী জনৈক নাজমুল হোসেন এর পুকুরে ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যায় এবং আসামিরা ভিকটিম হাসিবুল ইসলাম জনিকে ধরে এলোপাথারী মারপিট করে হত্যা পূর্বক মৃতদেহ পুকুরে ফেলে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম,এন, মোর্শেদ, পিপিএম-সেবা বলেন, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর পরই পিবিআই ঢাকা জেলার ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন পূর্বক ছায়া তদন্ত শুরু করে। এক পর্যায়ে আমরা মামলাটি স্বউদ্যোগে অধিগ্রহণ করি। পিবিআই ঢাকা জেলার বিরামহীন এবং নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ঘটনার দেড় বছর পর ঘটনায় জড়িত আসামিদ্বয়কে সনাক্ত এবং গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। ঘটনার পর স্থানীয় জনমনে ভীতি সঞ্চার ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পিবিআই ঢাকা জেলা কর্তৃক ঘটনার দেড় বছর পর আলোচিত মামলার আসামি গ্রেফতার, আসামির ফৌঃকাঃবিঃ ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রদান করায় স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরে আসে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তদন্ত তদারককারী কর্মকর্তা: এম, এন, মোর্শেদ, পিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার, পিবিআই ঢাকা জেলা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102