শেখ রাসেল, আশুলিয়া প্রতিনিধি:
ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া বটতলা এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িতে গড়ে উঠেছে নামি-দামি ব্র্যান্ডের নকল ও ভেজাল জর্দা তৈরির অবৈধ কারখানা মো: সাইফুল রহমান নামের এক ব্যক্তির।
মালিকানাধীন এই কারখানায় তৈরি হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর জর্দা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ভেজাল জর্দার ব্যবসার কারণে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কারখানাটিতে ব্যবহৃত ভেজাল ও নিম্নমানের রাসায়নিকের তীব্র ঘ্রাণে এবং দুর্গন্ধে রাতে এলাকায় টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন চিকিৎসকদের মতে এই ধরণের ভেজাল ও বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত জর্দা সেবনের ফলে ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস ও হৃদরোগের মতো মরণব্যাধি হওয়ার শতভাগ ঝুঁকি রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংবাদকর্মীরা ওই অবৈধ কারখানায় তথ্য সংগ্রহ ও সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয় কারখানার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের সাথে চরম অসদাচরণ করে এবং উল্টাপাল্টা কথা বলে তাদের তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের ধারণা বড় কোনো সিন্ডিকেট এবং প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন
একটা আবাসিক এলাকায় কীভাবে জর্দার মতো ক্ষতিকর জিনিসের কারখানা চলে আমরা বুঝি না রাতে জর্দার গন্ধে ঘরে থাকা যায় না। আমরা এর দ্রুত বন্ধ চাই।
অবৈধ এই ভেজাল জর্দা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে জামগড়া বটতলা এলাকার এই কারখানায় র্যাব, পুলিশ কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ঝটিকা অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সাধারণ মানুষকে মরণব্যাধির হাত থেকে বাঁচাতে এবং এই ভেজাল কারবারের মূল হোতা মো: সাইফুল রহমানকে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।