বিশেষ প্রতিনিধি, নীলফামারী :
০২ নভেম্বর, রবিবার
জেলার জলঢাকা উপজেলায় জুলাই যোদ্ধার কার্ড দেখিয়ে দেধারছে চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে জনি ইসলাম নামের যুবলীগ ক্যাডার। মাদকাসক্ত জনি জলঢাকা পৌর যুবলীগের পদধারী সদস্য। সে জলঢাকা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন বাবুল্যা পাড়ার বাসিন্দা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তারিখে তৎকালীন এমপি সাদ্দাম হোসেন পাভেলের অনুসারি ছাত্রলীগ যুবলীগের ক্যাডাররা আন্দোলনরত ছাত্র জনতার উপর আক্রমনের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পেট্রল পাম্পে সমবেত হয়। জনি ইসলামও অস্ত্র নিয়ে তাদের সাথে অবস্থান করছিলো। ছাত্র জনতা মিছিল নিয়ে পেট্রলপাম্পের দিকে এগিয়ে গেলে ছাত্রলীগ যুবলীগের ক্যাডাররা আক্রমন করার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়। ছাত্রদের ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে জনি ইসলাম হাতে আঘাত পায় এবং তার নিজের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে তার হাত কিছুটা কেটে যায়। সেদিন পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে গেলে রনি ১৮০° ঘুরে জুলাই যোদ্ধার নামে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করে এবং চিকিৎসা কার্ড সংগ্রহ করে ফেলে। এই কার্ড দেখিয়ে সে সরকারি প্রনোদনাও পায় বলে জানা গেছে।
আদর্শিকভাবে এখনও পুরাদস্তুর যুবলীগ ও সাবেক এমপি পাভেলের ক্যাডার জনি প্রতাড়নার মাধ্যমে জুলাই যোদ্ধার কার্ড নিয়ে এখন সেই কার্ড দেখিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। তার দাবি পরিশোধ করতে না পারলে মারধোর করা ও খুন করার হুমকি দিচ্ছে। মাদকাসক্ত জনির অত্যাচারে জলঢাকার সাধারন মানুষ আতঙ্কিত। জনির ভূয়া জুলাই যোদ্ধার কার্ড প্রাপ্তীতে বিস্ময়ে হতবাক প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা। তারা এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।