রাশেদুজ্জামান সুমন, জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি:
সারাদেশে চলমান তেল সংকটের কারণে নীলফামারী জলঢাকা সাংবাদিক এবং সরকারি চাকুরীজীবিরা জ্বালানি তেল না পাওয়ার কারণে ব্যাঘাত ঘটছে তাদের কার্যক্রমে। এজন্য উপজেলা প্রশাসন সাংবাদিক ও সরকারি চাকুরীজীবিদের জ্বালানি তেলের ব্যাবস্হা করে দিলেন। ওনার উদ্যেগে শুক্রবার দুপুরে হামিদা বানু ফিলিং স্টোশনে তিনটা থেকে শুধুমাত্র সাংবাদিক ও সরকারি চাকুরীজীবিদের মাঝে পেট্রোলের ব্যাবস্থা করেন। তেল পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ইওএনও কে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেন আমরা কতদিন ধরে পাম্পে লাইনে থেকেও তেল পাওয়া যায় না কিছু অসাধু মানুষের কারণে। আজ তেল পেয়ে সবার মুখে খুশীর ঝিলিক লক্ষ্য করা গেছে। এরকম ভাবে প্রতি সপ্তাহে তেল দেয়ার দাবী জানান তারা। কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল সরকার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম দুলু বলেন, ” আমি আমি বেশ কয়েকদিন পাম্পে গিয়ে তেল পাইনি তাদের অব্যাবস্থাপনার কারণে।
আজ এখানে এসে তেল পেয়ে খুব ভালো লাগছে। ধন্যবাদ কতৃপক্ষকে”। কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা জুয়েল সরকার জানান,’ ইউএনও স্যারের এই উদ্যেগকে সাধুবাদ জানাই। তিনি আমাদের কথা ভেবে তেলের ব্যাবস্থা করেছেন। যতদিন তেল সংকট থাকবে ততদিন যেন উনি এভাবেই আমাদের তেলের ব্যাবস্থা করে দেন”। সিনিয়র সাংবাদিক মাহাদী হাসান মানিক বলেন,” দুই মাস থেকে তেল সংকটের কারণে কোথাও গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনা। এরকম ব্যাবস্থা করায় আমরা সকল সাংবাদিকরা খুশী”। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ট্যাক অফিসার কামরুজ্জামা বলেন,” আজকে এখানে সাতশত সাংবাদিক ও সরকারি চাকুরীজীবিদের মধ্যে ছয়শত(৬০০) টাকা করে তেল দেয়া হয়েছে। অন্য কাউকে তেল দেয়া হয়নি”।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন,” অফিস ডেতে চাকরিজীবিরা তেল নিতে নির্ধারিত সময়ে লাইনে দাড়াতে পারেনা। একইভাবে সাংবাদিকেরা ও সংবাদ সংগ্রহের জন্য উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করায় দীর্ঘক্ষণ তাদের পক্ষে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব হয়না। এজন্য তারা তাদের প্রয়োজনীয় তেল ও নিতে পারেনা। সামনে ২৩ তারিখ থেকে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল(পেট্রোল, অকটেন) দেওয়া হবে। এর আগে এ উদ্যোগের উদ্দেশ্যই হলো ব্যস্ত পেশাজীবিদের জ্বালানি তেলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা”।