নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের একটি দল অভিযানের নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি ও দেনদরবারের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে তাকে ‘মাদকসহ গ্রেপ্তার’ দেখানো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এসআই আরিফের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। আটকের পর তার কাছ থেকে কোনো ধরনের মাদক উদ্ধার না হওয়া এবং নির্দিষ্ট অভিযোগের অভাবে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়।
রাত ২টা পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া, নারী ও শিশু হাসপাতাল এলাকা এবং নরসিংহপুরসহ বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে দেনদরবার চলতে থাকে। একপর্যায়ে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে মুক্তির একটি সমঝোতা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে অপর একটি পক্ষ দাবি করে, ব্যক্তি নিরপরাধ হওয়ায় ২ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। টাকার অংক নিয়ে মতবিরোধের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে বলে জানা গেছে।
পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, যদি সত্যিই তার কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হয়ে থাকে, তাহলে দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা ধরে কেন বিভিন্ন স্থানে আলোচনা চলেছে এবং কেন তাকে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ডিবি পুলিশের কিছু সোর্সের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের স্বার্থে এ ধরনের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।