বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জুলাই শহীদদের গেজেট ও কবর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া : কম দামে দিতে চায় ইউরিয়া সার ঝিকরগাছায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের শ্লীলতাহানির অভিযোগের পর ‘থলের বিড়াল’ বের হতে শুরু করেছে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে — মষমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন কুমিল্লা তিতাসে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা কুমিল্লা তিতাস উপজেলা বিএনপিকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের তিতাস উপজেলা নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা সরকার ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন কর্মসংস্থান ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

ঝিনাইদহে রোপা আমনে মাজরা পোকার আক্রমণ, দিশেহারা কৃষক

মো: রবিউল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রবিউল ইসলাম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহে রোপা আমন মৌসুমের শুরুতেই ধানের জমিতে দেখা দিয়েছে মাজরা পোকার আক্রমণ। সদ্য রোপণ করাb চারাগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। নানা কীটনাশক ব্যবহার করেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না এ পোকা। এতে উৎপাদন খরচ যেমন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনি ফলন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে তারা মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়বেন।

জানা গেছে, জেলার শৈলকুপা, সদর, কালীগঞ্জ, হরিণাকুন্ডু, মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর—সব উপজেলাতেই একই পরিস্থিতি। ধান গাছের গোড়ায় আক্রমণ করছে মাজরা পোকা। এতে অনেক গাছ শুকিয়ে সাদা হয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি। কৃষকরা বলছেন, বারবার কীটনাশক স্প্রে করেও কোনো কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহ জেলার ৬ উপজেলায় ১ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৯ মেট্রিক টন। তবে মৌসুমের শুরুতেই পোকার এমন আক্রমণ কৃষি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

শৈলকুপা উপজেলার নাকোইল গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল বলেন, “ধান রোপণের পর থেকে নিয়মিত যত্ন নিচ্ছি। কিন্তু এখন মাজরা পোকার আক্রমণে অনেক গাছ মরে যাচ্ছে। আমরা যতবার কীটনাশক ব্যবহার করছি, তত খরচ বাড়ছে। কিন্তু ফল পাচ্ছি না। যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে।” একই এলাকার কৃষক সাইদুর রহমান জানান, “ধানের গোড়ায় পোকা ঢুকে গাছকে সাদা করে দিচ্ছে। এতে পুরো জমি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অনেক টাকা খরচ করেছি কীটনাশকে, কিন্তু কাজ হয়নি। ফলন কম হলে ঋণ শোধ করাই আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।”

কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কৃষির প্রধান ভরসা হচ্ছে আমন ধান। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই যদি পোকা আক্রমণ করে, তাহলে আমরা কীভাবে বাঁচব? সরকারি দিকনির্দেশনা আর সহযোগিতা ছাড়া আমাদের সামনে অন্ধকার ছাড়া কিছু নেই।”

এ ব্যাপারে শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “এখনো আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কৃষকরা যদি আমাদের নির্দেশনা মেনে চলেন, তাহলে পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আমরা কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।”

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102