রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ধামরাই সরকারি কলেজে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে ‘স্বপ্নধারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি কে.’ ঘিরে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ, বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বিকেএসপি পরিচালনা বোর্ডের ৪০তম সভা অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের হয়ে গঠনমূলক সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই ….স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবিবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নরসিংদী সদর উপজেলা ভূমি অফিস আকস্মিক পরিদর্শন করেন সিরাজগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর উদ্বোধন কুমিল্লা তিতাসে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোদী উপলক্ষে যুবক ও সচেতন ব্যাক্তিদের আলোচনা সভা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে ‘সিটা’ প্রকল্পের উদ্বোধন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের মন্তব্যের জের; বিএমএসএফ প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে

মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই ….স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ২৮ জুন ২০২৬

শিশুদের রোগ প্রতিরোধে মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

আজ রোববার (২৮ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিশুদের ভিটামিন এ খাওয়ালেই হবে না মায়ের দুধও শিশুদের খাওয়াতে হবে। জন্ম পর পর শিশুকে মায়ের শাল দুধ খাওয়াতে হবে। শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন আর কিছু হতে পারে না।

তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সেইসঙ্গে হামসহ নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইউনিসেফের মাধ্যমে আমরা লাল ও নীল রঙের ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করেছি । এই ক্যাম্পেইনের জন্য ২ কোটি ৫৫ লাখ ক্যাপসুল সারাদেশে পাঠানো হয়েছে। ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাপসুলের মান কেমন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিকার মান ভালো। ইউরোপে একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে এসেছি, সেখানে টিকার মান নিয়ে কথা হয়েছে ইউনিসেফের সঙ্গে। উন্নত মানের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে আমরা দেশে টিকা এনেছি।

মন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লে পরে তাদের ভিটামিন এ খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে।

এসময় স্বাস্থ্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ১৯৯৫ সাল থেকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সাথে ভিটামিন এ কে সংযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০০৩ সাল থেকে এটিকে আলাদা একটি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহন করা হয় যার নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। এটি জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হত। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা বা এনএনএস অপারেশন প্ল্যানের অধীনে ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছিলো। অপারেশন প্ল্যান বিলুপ্ত হওয়ায় এবছর থেকে এটি জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হিসেবে পুনরায় চালু হলো।

এ ক্যাম্পেইন সারাদেশব্যাপী এক যোগে এক দিনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে প্রায় ১৫ মাস আগে অপারেশনাল প্ল্যানের মাধ্যমে সর্বশেষ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে পরিচালিত হয় ।

এবছর প্রথম রাউন্ডে ২৮ জুন রবিবার, সকাল ০৮.০০ ঘটিকা থেকে বিকাল ০৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি করে ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

ক্যাপসুল বিতরণের জন্য ফিক্সড আউট বিচ কেন্দ্রের সংখ্যা: ১,১০,০০০ টি এবং মোবাইল কেন্দ্রের সংখ্যা ৫০০ টি (যেমন-লঞ্চঘাট, ফেরীঘাট, রেল স্টেশন , বাস স্টেশন ইত্যাদি)।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় থেকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কালক্ষেপণ না করে কাজ শুরুর আহ্বান —–স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন আলী আহসান রবি ঢাকা, ২৬ জুন ২০২৬ জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে মানবতাকে বাঁচাতে এবং বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আর কোনো কালক্ষেপণ না করে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ (Implementation) শুরু করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও এর সংশ্লিষ্ট অ্যালায়েন্স ফর ট্রান্সফরমেটিভ অ্যাকশনস অন ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ (ATACH) এর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “অনেক পরিকল্পনা ও আলোচনা হয়েছে, এখন আর শুধু আইডিয়া বা কথার কথা শোনার সময় নেই। মানুষ বাঁচাতে আমাদের এখনই কাজ দেখাতে হবে।” স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন গতকাল (২৫ জুন) ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত “অ্যালায়েন্স ফর ট্রান্সফরমেটিভ অ্যাকশনস অন ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ (ATACH) এর জন্য সুপারিশ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলসহ জলবায়ু-সহনশীল ও স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি” শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত সভায় (High Level Strategic Meeting)-এ এসব কথা বলেন। ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ‘অ্যালায়েন্স ফর ট্রান্সফরমেটিভ অ্যাকশনস অন ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ’ (ATACH)-এর যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এ সভার আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন তাঁর বক্তব্যে ফ্রান্সে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবার এবং ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বিশেষ করে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলি তুলে ধরেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র হাহাকার ও দেশের চলমান সংকট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার থেকে শুরু করে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের এক বিশাল উপকূলীয় এলাকায় এখন তীব্র সুপেয় পানির অভাব দেখা দিয়েছে। চারদিকের পানি লবণাক্ত ও দূষিত হয়ে পড়েছে, যা পানের অযোগ্য তো বটেই, এমনকি গোসল বা নিত্যদিনের ধোয়া-মোছার কাজেরও অনুপযোগী। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর এতটাই নিচে নেমে গেছে যে সাধারণ কিংবা গভীর নলকূপ দিয়েও এখন পৃষ্ঠতলে পানি তোলা যাচ্ছে না। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও সমাধান করা উচিত। দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশে রোগব্যাধির প্রকোপ কমাতে ও অর্থায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, কম বা মাঝারি আয়ের দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অঞ্চলে ইতোমধ্যে সংক্রামক (Communicable) ও অসংক্রামক (Non-communicable) রোগব্যাধি মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে থাকা এই রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ স্বাস্থ্য তহবিল (Climate Finance for Health) গঠনের দাবি জানান তিনি। তিনি দেশের বায়ুদূষণ ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মতো অনেক দেশেই এখনো প্রাচীন বা সনাতন পদ্ধতিতে কয়লা পুড়িয়ে ইটভাটায় কাজ চলছে, যা থেকে প্রচুর ক্ষতিকর ধোঁয়া ও গ্যাস নির্গত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কংক্রিট স্ল্যাব বা আধুনিক ব্লক তৈরির প্রযুক্তি গ্রহণ করা জরুরি। আর এই রূপান্তরের জন্য বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। তিনি বহুমুখী সমন্বয় ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন পরিমাপের জন্য ব্যবহারিক নির্দেশিকা তৈরি এবং স্বাস্থ্য, পরিবেশ, জ্বালানি ও পানি খাতের মধ্যে বহুমুখী সমন্বয় (Multi-sectoral Collaboration) গড়ে তোলার জন্য বিশ্ব সংস্থাকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। আক্রান্ত দেশগুলোর সরকারি পর্যায়ে আলোচনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে প্রতিনিধি দল পাঠানোর পরামর্শ দেন তিনি। এটি মানবতা রক্ষার লড়াই এবং বিশ্ব সংস্থাকে অলস বসে না থেকে পুরোপুরি কার্যকর বডি বা সংস্থায় রূপান্তরিত হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী আরও জানান, আমরা জলবায়ু-সহনশীল ও স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইতিমধ্যেই আমাদের জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে—যার ফলে রোগের প্রকোপ বাড়ছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর মোকাবিলায় আমরা বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। প্রথমেই আমরা দেশে জলবায়ু ও স্বাস্থ্য বিষয়ক ঝুঁকির মূল্যায়ন করেছি এবং পরবর্তীতে ‘স্বাস্থ্য বিষয়ক জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২৬-৩০’ (HNAP) প্রণয়ন করেছি। এটি জলবায়ু-সহনশীল ও স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রদান করে। আমরা সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগের আকারে জলবায়ু-সংবেদনশীল প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি। উদাহরণস্বরূপ, ডেঙ্গু ও অন্যান্য ভেক্টর-বাহিত রোগ, পানিবাহিত রোগ এবং তাপ ও বায়ুদূষণজনিত অসুস্থতা (যেমন—স্ট্রোক ও সিওপিডি)-কে এই অভিযোজন পরিকল্পনায় উচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সাথে অপুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা, মাতৃ-নবজাতক ও প্রজনন স্বাস্থ্য, মানসিক চাপ, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা এবং দুর্যোগ ও জলবায়ু-জনিত কারণে সৃষ্ট মানসিক আঘাত (ট্রমা) ও সামাজিক ঝুঁকির বিষয়গুলোকেও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসময় নেদারল্যান্ডস এর স্বাস্থ্য কল্যাণ ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল অনিতা ভ্যান ডে এনডে (Anita Van De Ande) এবং ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি ড. গ্লোরিয়া জে. বালবোয়া (Dr. Gloria J. Balboa)-সহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ইউনিসেফের আমন্ত্রনে ২১ জুন ডেনমার্কের কোপেনহেগেন গমন করে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং সেখান থেকে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আমন্ত্রণে ২৪ জুন ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস যান। আগামী ২৭ জুন শনিবার তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছ

©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102