বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
দুর্গম এলাকায় দ্রুত যাতায়তের জন্য স্পিড বোড প্রদান করেন সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের মাননীয় এমপি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে আজ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জলঢাকায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের চেয়ার নিয়ে নতুন বিতর্ক, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পিআরএল ছুটি গমনের দিনই পুলিশ সদস্যের হাতে লাম্পগ্রান্ট বিলের চেক তুলে দিলেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কুমিল্লা তিতাসে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাজউদ্দিন ভূঁইয়ার ব্যাপক গণসংযোগর ও প্রচারণা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি পিরোজপুরের আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত- সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী সহ উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নদীতে ভয়ঙ্কর “আইপিএস প্রযুক্তির” ব্যাবহার, বিলুপ্তির পথে দেশী মাছের সকল প্রজাতি

মাহমুদ আল হাসান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

মাহমুূদ আল-হাছান, বিশেষ প্রতিনিধি :

০৯ জুন, মঙ্গলবার

দেশের বিভিন্ন ছোটো-বড় নদীতে অসাধু জেলেরা ‘ইলেক্ট্রোফিশিং’ বা ভয়ঙ্কর আইপিএস প্রযুক্তি ব্যাবহার করে অবাধে দেশীয় মাছের বংশ ধ্বংস করে দিচ্ছে। বিশেষ করে নীলফামারী জেলার জলঢাকা ও ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন নদীতে অসাধু চক্র এই প্রক্রিয়ায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ নির্বংশ করার কাজে লিপ্ত আছে। খবর নিয়ে জানা গেছে, গভীর রাতে ছোটো ছোটো নৌকায় আইপিএস বেঁধে নদীর পানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত এই বিদ্যুতে প্রায় ৫ থেকে ৭ মিটার এলাকার পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এর ফলে ওই এলাকায় থাকা ছোটো বড় সব রকমের মাছ এমনকি অন্যান্য পোকামাকড় থাকলেও সেগুলো বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হার্ট আ্যাটাক করে এবং মারা যায়। সাধারনতঃ এলাকার লোকজন ঘুমিয়ে পড়ার পরে এই নৌকাগুলো নদীতে নামানো হয় এবং সারারাত মাছ ধরে ভোর রাতে তারা ফিরে যায়।

এভাবে দেশীয় প্রজাতীর মাছ পোনা সহ মেরে ফেলা হচ্ছে এবং এজন্যে দেশের বাজারগুলোতে দেশী মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও নদীতে আর তেমন মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনিতেই নাব্যতা সঙ্কটে ভুগছে দেশের অধিকাংশ নদনদী। পানির অভাবে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তার উপর যেটুকু মাছ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোও বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, পোনা অবস্থাতেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে দেশের সাধারন দরীদ্র শ্রেনীর মানুষ এবং নদী তীরবর্তী লোকজনের পুষ্টি চাহিদা পুরনের আর কোনো উপায় থাকছে না।

ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাত কাপাটি এলাকার বাসিন্দা সহিদুল ইসলাম বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি একটু বৃদ্ধি পেলেই এই চক্রটি তৎপর হয়ে ওঠে। প্রায় প্রতি রাতেই তারা তিস্তা এবং বুড়ি তিস্তা নদীতে আইপিএস দিয়ে মাছ ধরে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দু/এক বছরের মধ্যে নদীতে আর কোনো দেশী মাছ খুঁজে পাওয়া যাবে না। মা এবং পোনা মাছ সহ সবজাতীয় মাছ যেভাবে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হচ্ছে তা খুবই উদ্বেগজনক।

গোলমুন্ডা ইউনিয়নের বুড়ি তিস্তা নদী তরের বাসিন্দা মন্টু মিয়া বলেন, ২/১ দিন পরপর আইপিএস দিয়ে মাছ ধরার লোকজন আমার বাড়ীর পাশ দিয়ে যাতায়াত করে এবং আইপিএস দিয়ে নদীতে মাছ ধরে। তারা খুবই ধূর্ত এবং সংঘবদ্ধ। দুই চারজন মিলে তাদের প্রতিহত করা সম্ভব নয়। তাছাড়া কয়টা দলকে প্রতিহত করবেন! নিত্য নতুন দল এই অবৈধ কাজে জড়িত আছে। শুধু তিস্তা কিংবা বুড়ি তিস্তা নদীতেই নয়, ধুম নদির ছোটো নদিতেও এভাবে মাছ মেরে ফেলা হচ্ছে।

সাধারন মানুষের দাবি, নৌ-পুলিশ এবং সাধারন পুলিশ সহ জনগনের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে এই ভয়ঙ্কর ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়া বন্ধ করা ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা উচিত। নাহলে দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য ভয়াবহ সঙ্কটে পড়বে এবং জীব বৈচিত্রে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102