আবুল হাসান, কোটচাঁদপুর উপজেলা ঝিনাইদহ :
আর কত ক্ষতি হলে খাল খননের পরিকল্পনা হবে। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচরে আসবে কত চাষীর জীবন বিপন্ন হলে। গোটা বছরের চেষ্টা ও সাধনার গরীবের রক্ত ক্ষয়ের ফসল এই ধান। খাল খনন না করার কারনে হাজার হাজার বিঘা জমিতে চারা রোপণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে জলার বিলে।গরীব কৃষকের কপালে হয়তো আর সংসারের সদস্যদের মুখে দু মুঠো খাবার দিতে পারবে না।মাঠের পানি খাল ভরাটের কারণে জলাবদ্ধতা হয়ে আছে। গরীব বর্গা চাষী না খেয়ে থাকতে হবে এবার। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর আজ পর্যন্ত কোন এমপি সাহেবরা চোখ দিয়ে দেখেননি এই ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলা কুশনা ইউনিয়নের সবচেয়ে ধান ফলানো বড় মাঠটির দিকে।
আজ অবহেলা আর অব্যবস্থাপনায় জীবন ও ফসলের বলি হচ্ছে এই কুশনা ইউনিয়ন বাসীর। ক্ষতি গ্রস্থদের মধ্যে আব্দুল খালেক আবুল হাসান আলতাপ তাইজুল ইসলাম নজরুল কাসেম, মোজাম্মেল, জয় পরামানিক সহ অগনিত চাষী এখন পথে বসার মত উপায় হয়ে গেছে। এই খাল খননের অভাবে মাঠের পানি বের না হতে পেরে জ্বলাবদ্ধতায় চারা রোপন করা যাচ্ছে না। যারা রোপন করেছে সেগুলো ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গেছে।চাই জ্বলার বিলের খাল খননের পরিকল্পনা জ্বলার বিলের খাল ভরাট মুক্ত হলে ভবিষ্যাতে আর ক্ষতির মুখে পড়বে না বলে এলাকার একাধীক কৃষক মত প্রকাশ করেন।
এই বিষয় কথা হয় ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল এর সাথে। তিনি জানান জ্বলাবদ্ধতায় স্হানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান। যদি কোন স্থানে জ্বলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় তাহলে উপজেলা প্রশাসন কে জানান আমিও বলে দিবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আনিসুল ইসলাম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান। বিষয়টি নিয়ে আমরা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এবিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট ফোন করে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান চাষীরা অভিযোগ করলে তারপর খাল খননের ব্যবস্হা করা হবে।