মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জামগড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ভেলকিবাজি লোডশেডিং আর ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ জনজীবন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) এর সাথে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশুলিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে তরিকুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ, সর্বস্তরের অভিনন্দন সিআইডি কর্তৃক ক্রিপ্টোকারেন্সি পুনরুদ্ধারঃ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত সিনিয়র সচিব রেজাউল গ্রেফতার, অধরা আইডিআর এর আপেল মাহমুদ কুমিল্লা হোমনায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে —- রাঙ্গামাটিতে দীপেন দেওয়ান এমপি

মাইলস্টোনের দুর্ঘটনায় দগ্ধদের রক্তের প্রয়োজন নেই — পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

২৪ জুলাই, ২০২৫

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেছেন, মাইলস্টোনের দুর্ঘটনায় দগ্ধদের রক্তের প্রয়োজন নেই, অনেকেই ব্লাড ডোনেশন করতে চাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ স্কিন ডোনেশন করতে আগ্রহী। তবে হাসপাতালের সংরক্ষণে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্কিন রয়েছে, তাই স্কিন ডোনেশন আমরা নিচ্ছি না, আমাদের পর্যাপ্ত স্কিন মজুত আছে, যদি কারো প্রয়োজন হয়, আমরা সেখান থেকেই ব্যবহার করতে পারব।

অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন, এসবেরও কোনো প্রয়োজন নেই, আমাদের আহত বাচ্চাদের চিকিৎসার জন্য যা যা লাগবে, সবকিছু সরকার বহন করবে, আহতদের চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ব্যয় সরকার বহন করছে বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

এ সময় অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, আজ ক্রিটিক্যাল অবস্থায় থাকা দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে এবং অন্যজন বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে মারা যান।

বর্তমানে ছয়জন রোগী ক্রিটিক্যাল অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এছাড়া ১৩ জন রোগী সিরিয়াস অবস্থায় ছিল এবং তারা এখনো সেই অবস্থাতেই রয়েছে। আমরা আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে তাদের মধ্যে কয়েকজন ইন্টারমিডিয়েট ক্যাটাগরিতে চলে আসতে পারে।

বাকি ২৩ জন ইন্টারমিডিয়েট ক্যাটাগরির রোগীর মধ্যে ১৩ জনকে আমরা কেবিনে স্থানান্তর করতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি বোর্ডের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে, তাছাড়া চীন ও সিঙ্গাপুর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ আসছেন।বাচ্চাদের চিকিৎসায় আমরা কোনো দেশ বা সীমান্তভেদে পার্থক্য করছি না, যে সিদ্ধান্ত ও মতামত আমাদের বাচ্চাদের জন্য উপকার হবে, আমরা সেটাই গ্রহণ করছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102