মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জামগড়ায় পল্লী বিদ্যুতের ভেলকিবাজি লোডশেডিং আর ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ জনজীবন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) এর সাথে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ কোস্টগার্ডের জনবল দ্বিগুণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশুলিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে তরিকুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ, সর্বস্তরের অভিনন্দন সিআইডি কর্তৃক ক্রিপ্টোকারেন্সি পুনরুদ্ধারঃ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত সিনিয়র সচিব রেজাউল গ্রেফতার, অধরা আইডিআর এর আপেল মাহমুদ কুমিল্লা হোমনায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে —- রাঙ্গামাটিতে দীপেন দেওয়ান এমপি

বেরিবাধ ও ইছামতি নদী পরিদর্শন “আর কাউকে নদী দখল করতে দেব না” — ব্যারিস্টার নজরুল

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালী :

সোনাবাজু বেরিবাধ ও ইছামতি নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সোমবার (১৪ জুলাই) ইছামতি নদী পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রতি বেরিবাধের মূল নদীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্লুইসগেট স্থাপনের জোর দাবি জানান।

তিনি বলেন, “ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করেই এই অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। নদীটি ছিল কৃষিপণ্য পরিবহনের প্রধান পথ এবং জেলেদের জীবিকার উৎস। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখানে স্লুইসগেট না দিয়েই বেরিবাধ নির্মাণ করা হয়েছে, ফলে বর্ষাকালেও নদীতে প্রয়োজনীয় পানি থাকছে না। এতে করে মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।”

ব্যারিস্টার নজরুল আরও বলেন, “বিগত সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ চাষ করা হয়েছে। এমনকি জেলেদের নদীতে নামতেও দেওয়া হয়নি। এই অবস্থা আর চলতে দেওয়া যাবে না। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করব — আর কাউকে নদী দখল করতে দেব না।”

তিনি বলেন, “দেশের সর্বোচ্চ আদালত নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ইছামতির ক্ষেত্রে তা বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে না। সুইসগেট না থাকায় নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কচুরিপানায় ভরে উঠেছে। কয়েক মাস পর এই কচুরিপানা পচে দুর্গন্ধ ছড়াবে, পরিবেশ হবে দূষিত। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীটি একেবারে হারিয়ে যাবে।”

এই সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ সদর থানা জামায়াতের আমীর ও ঢাকা জজ কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহিম খলিল, নবাবগঞ্জ পশ্চিমের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদসহ জামায়াত ও শিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102