আলী আহসান রবি :
ঢাকা, ১৯ জুন ২০২৫ খ্রি.
রাজধানীর শ্যামপুর এলাকা থেকে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ২৫৫৬ পিস ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির শ্যামপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। তামান্না আক্তার (২৭) ও ২। ফরিদা বেগম (৫৩)।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন ২০২৫খ্রি.) রাত আনুমানিক ০১:২০ ঘটিকায় শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকা হতে তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়। একই তারিখ সকাল ০৯:১৫ ঘটিকায় শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় মোড়স্থ এক দোকানের সামনে থেকে ফরিদাকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্যামপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ০১:০৫ ঘটিকায় শ্যামপুর থানার একটি টিম তথ্য পায়, শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকার একটি বাসার সামনে এক নারী মাদক কারবারি ইয়াবা বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে নারী মাদক কারবারি তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত হতে এক হাজার ৫৫৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য চার লক্ষ ৬৬ হাজার ৮০০ টাকা।
অন্যদিকে একই তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯:১৫ ঘটিকায় শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় মোড়স্থ এক দোকানের সামনে থেকে ফরিদাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত হতে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য তিন লক্ষ টাকা। এ ঘটনায় শ্যামপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুইটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।
থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দুই নারী মাদক কারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশে তাদের হেফাজতে রেখেছিল মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
আলী আহসান রবি
ঢাকা, ১৯ জুন ২০২৫
গতকাল (বৃহস্পতিবার) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৪ (অনূর্ধ্ব-১৭) এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এ সময় উপদেষ্টা বলেন, গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতি বছর হয়ে থাকে এবং ইউনিয়ন পর্যায় থেকে প্রায় এক লক্ষ পার্টিসিপেন্টস অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে বেস্ট প্লেয়ার নিয়ে টিম গঠিত হয় এবং সর্বশেষ বিভাগীয় পর্যায়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উপদেষ্টা বলেন, এই ধরনের টুর্নামেন্টকে আরো বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করার সুযোগ আছে। সামনের দিনগুলোতে এই টুর্নামেন্টকে প্রোপার মার্কেটিং এবং ব্রেন্ডিং এর মাধ্যমে আরো জনপ্রিয় করা হবে। এই ধরনের টুর্নামেন্ট যত বৃদ্ধি পাবে আমরা তত ভালো খেলোয়াড় স্থানীয় পর্যায়ে থেকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারবো।
তিনি বলেন, ফুটবল, ক্রিকেটসহ সকল খেলাকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিকেন্দ্রীকরণের কাজ করছে। বিসিবি ইতিমধ্যে রিজিওনাল ক্রিকেট নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে। বাফুফেও রিজনাল ফুটবল নিয়ে কাজ করবে। আমরা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার ভেন্যুর পরিধি বৃদ্ধি করার কাজ করছি। আশা করছি এই বছরে নীলফামারীতে কোন একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ এবং রাজশাহী ও খুলনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবো । এভাবেই আমরা খেলাধুলা কে বিকেন্দ্রীকরণের একটি বাস্তব রূপ দিব। সকলের সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এগুলোকে বাস্তবে প্রমাণ করতে চাই। আমাদের এই ধরনের উদ্যোগগুলো সামনের দিনেও চলমান থাকবে।