মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন’ দক্ষিণখান বাজারে অনুষ্ঠিত এবার ভারতের হাত কেটে দেওয়ার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের ‘ওপেনহেইমার’কে ছাড়িয়ে শীর্ষে বায়োপিক ‘মাইকেল’ জার্মানিকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল প্যারাগুয়ে, দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের রোটারি ক্লাবের গোল্ড প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন জেনিথ লাইফের সিইও এস এম নুরুজ্জামান পরিবেশ রক্ষায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ‘পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালা সিরাজগঞ্জ’ তৃণমূলের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ১ জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের রেজিস্ট্রেশন শুরু শিশুশ্রম নিজের ঘর থেকে বন্ধ করতে হবে-শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন মুসলিম বাজার খালসহ ২৯টি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে

এবার ভারতের হাত কেটে দেওয়ার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না। অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে। ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102