রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
খালি চেয়ারটার নাম বাবা চট্টগ্রাম বন্দরে জাল সনদে ইনল্যান্ড মাস্টার নিয়োগে কর্মচারীদের অসন্তোষ , তদন্তের দাবি দিমেক হাসপাতালের সভাপতি মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন ও সহ-সভাপতি এমপি জাহাঙ্গীর আলমকে ড্যাবের অভিনন্দন বিএডিসি কর্মকর্তার আঙুল ফুলে কলাগাছ: রংপুর ও নিজ এলাকায় বিপুল সম্পদের পাহাড়! বর্ণাঢ্য আয়োজনে সিরাজগঞ্জে একাত্তর টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে আমূল পরিবর্তন, শুরু হলো ২০২৮ কারিকুলামের যাত্রা ‘প্রাণের খোঁজে বিশ্বময়’-এর আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে গাছের চারা বিতরণ প্রতিমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ সহ গ্রেফতারকৃত সাংবাদিক রেজানুর জামিনে মূক্ত জ্বালানি বাজেটের ৯৮ শতাংশই জীবাশ্ম জ্বালানিতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মাত্র ২.২ শতাংশ বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে Civil Aviation Master Planning Overview কর্মশালার উদ্বোধন

বিনিয়োগকারীদের জন্য অনলাইনভিত্তিক ওয়ান-স্টপ সেবা চালুর উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা : ২১ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের যাতে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে না হয়, সে জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইনভিত্তিক ‘ওয়ান-স্টপ উইন্ডো’ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।

আজ রবিবার সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)-এর এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো ভৌত স্থাপনা বা শিল্পকারখানা স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাস্তব অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় তা ১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করা সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের স্থাপনায় নিরাপত্তা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত বিষয়সহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থাপনা পরিদর্শন করে চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করবে।

তবে বিনিয়োগ কার্যক্রম যাতে বিলম্বিত না হয়, সে জন্য সরকার অস্থায়ী বা প্রভিশনাল লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা করবে বলে জানান তিনি। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা দ্রুত প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে অনুমোদন প্রক্রিয়ার সময় কমিয়ে আনার একটি রূপরেখা নির্ধারণ করেছি। এখন খাতভিত্তিক লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। কারণ একেক খাতের জন্য একেক ধরনের অনুমোদন ও নথিপত্র প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন প্রক্রিয়া যেমন টেক্সটাইল কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া থেকে ভিন্ন।”

কারখানা পরিদর্শন ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পরিদর্শন কার্যক্রম সমন্বয় করা হবে। বিডা পরিদর্শনের তারিখ নির্ধারণ করবে, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একত্র করবে এবং একটি সমন্বিত ব্যবস্থার অধীনে একবারেই পরিদর্শন সম্পন্ন করা হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের বারবার বিভিন্ন সংস্থার কাছে যেতে হবে না।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইভি প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে আরও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হতে চায়। সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে, ডিজেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল এবং সংকটকালে সরবরাহ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের যানবাহন ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তির দিকে নিতে সরকার আগ্রহী। মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির আমদানি ও ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেবে।

জেবিসিসিআই প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিল্প স্থাপন, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে বিনিয়োগকারী অনলাইনে এক প্ল্যাটফর্মে ক্লিক করেই প্রয়োজনীয় সেবা পাবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো সময়, ব্যয় ও জটিলতা কমিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করা।”

সভায় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রশংসা করে জেবিসিসিআই নেতৃবৃন্দ বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে দুদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102