মোঃ রবিউল ইসলাম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি (ঝিনাইদহ):
রমজানের শুরুতেই বাজারে আসতে শুরু করেছে তরমুজ। যা বিক্রয় হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। বলছি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বাজারগুলোর কথা। কখনো ১০০ টাকা কখনো ১২০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করায় ব্যবসায়ী অধিকহারে মুনাফা লাভ করছেন আর ঠকছেন ক্রেতারা।
এলাকাবাসীর দাবি, সাধারণত যে সব ফল ৪০ শতাংশ বাদ দিতে হয় যেমন, কাঁঠাল, কলা, তরমুজ সহ নানা ফল কেজিতে বিক্রি না করে পিচ হিসেবে বিক্রয় করা হয়।
তুলা গ্রামের ফল ক্রেতা সবুজ আলী জানান,মনে হচ্ছে আমরা ফ্রাউনের যুগে চলে এসেছি,কারন তরমুজ ফ্রাউনের যুগে কেজির দরে বিক্রি হতো। ১২০ টাকা কেজিতে তরমুজ কেনা আমার সাধ্যের বাইরে। তাই তরমুজ কিনছি না। পাখি ভ্যান চলক ছের আলী জানান, তরমুজের খুব দাম। আমাদের মত মানুষ তরমুজ কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। রমজানের বাজার করতে আসা ফলসী গ্রামের রিক্তা খাতুন জানান, ১০০টাকা কেজিতে ছোট্ট একটি তরমুজ কিনেছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সমাজ সংস্কারক, একটি ৫ কেজি ওজনের তরমুজ কিনে অনুরোধ করেন ৪০০টাকা নিতে। এদিকে শ্রামপুর গ্রামের গোলাপী খাতুন জানান,তরমুজের বিশাল দাম তাই ছোট্ট দেখে একটি কিনেছি। ওজনে বিক্রি করায় তিনি ঠকেছেন।
এদিকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টার, এই রমজানে কেজিতে তরমুজ বিক্রি করায় ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়েছেন।
ঐতিহ্যবাহী হরিণাকুণ্ডু বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী কেজির দরে তরমুজ বিক্রি করার সত্যতা স্বীকার করে শীলন আলী জানান, আমি শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ বাজার থেকে ৪৩১ কেজি ৭৫/-টাকা দরে কিনে এনেছি, তাই কেজিতেই বিক্রি করছি।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ দিদারুল আলম বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের জানান, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে থাকি। আজ ও বাজার মনিটরিং করা হবে। কেজিতে তরমুজ বিক্রি কারার বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।