মোঃ ফারুক আহাম্মেদ, স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের হোটেল গুলোতে যাত্রাবিরতির অন্ধকার অধ্যায় এবং ভাতের ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা মদক ব্যবসা শিরোনামে ৭১ টিভি’র ১টি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এডিশনাল ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নির্দেশনা মোতাবেক সকল হাইওয়ে থানা কর্তৃক হোটেল গুলোর আশপাশের এলাকায় দিবারাত্রি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী মূলত মালবাহী ট্রাক ড্রাইভাররা এই হোটেল গুলোতে ভাত খাই এবং মাদক নিয়ে মহাসড়কে গাড়ি চালিয়ে থাকে। চালকদের টার্গেট করেই গড়ে উঠেছে এই হোটেল গুলো।
মঙ্গলবার (১ জুলাই ২০২৫) ইং তারিখ রাত অনুমান ৯ টা ৫০ মিনিটে মোঃ শাহাব উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় জরুরি মোবাইল -২ এর সহযোগিতায় থানার অফিসার ও ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চট্টগ্রামমুখী সৈয়দপুর নামক স্থানে বাবুর্চীবাজারস্থ ভূইয়া হোটেলের সামনে হতে মাদক বিক্রেতা মোঃ ইউসুফ (২৬), পিতা- মোঃ আবুল কাসেম, সাং- বসুমারা, পোঃ নালঘর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা। হোটেল পার্কিং এ দন্ডায়মান অবস্থায় ট্রাক যার রেজি নং – ঢাকা মেট্রো -ট- ১৬-০২৯৪ এর চালক মোঃ জামাল হোসেন (২৬) পিতা- আবুল সরকার, সাং-চাইলো গেইট, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ জেলা- নারায়নগঞ্জ এবং অপর একটি গাড়ি ট্রাক যার রেজি নং – ঢাকা মেট্রো -ট- ১১-৮০৬৭ চালক মোঃ জাহিদ, পিতা- আলী হোসেন, সাং- শিবু মার্কেট, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়নগঞ্জ দ্বয়কে গাঁজা ক্রয় ও বিক্রয়কালে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দখল হতে অনুমান ১০০ গ্রাম (৫ পুরিয়া) গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, চৌদ্দগ্রাম, জামাল আহমেদ ভূইয়াকে সংবাদ প্রদান করলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারনী ২১ মোতাবেক মাদক বিক্রেতাকে ০৬ (ছয়) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন এবং মাদক ক্রেতাদ্বয়কে ০৩ (তিন) মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ৫০০ টাকা করে জরিমানা প্রদান করেন এবং জব্দকৃত ১০০গ্রাম (৫ পুরিয়া) গাজা উপস্থিত জনগন ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহনের জন্য আসামীগনকে চৌদ্দগ্রাম বেঙ্গল থানার নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়াও ভূইয়া হোটেলের মালিক ও অন্যান্য সকল কর্মচারী গণ হোটেলে তালা মেরে পলাতক আছেন। তাদের ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে নজরদারি অব্যাহত আছে।