বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি:
“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার আয়োজনে সারা দেশের ন্যায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরগঞ্জ থানা, বাকেরগঞ্জ জে এস ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নিয়ামতি বন্দর নৌ-পুলিশ স্টেশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) সকালে বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরগঞ্জ থানা, বাকেরগঞ্জ জে এস ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নিয়ামতি বন্দর নৌ-পুলিশ স্টেশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নিয়ামতি বন্দর নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জের উপস্থিতিতে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণ পরিষদের সদস্য সচিব মুহাম্মাদ মনজুর হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের দপ্তর সচিব মোঃ রাব্বী মোল্লা, তথ্যপ্রযুক্তি সচিব নুরনবী সোহেল, নির্বাহী সদস্য ও বাকেরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলামসহ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং নিয়ামতি বন্দর নৌ-পুলিশ স্টেশনের সদস্যরা। এবং বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরগঞ্জ থানা, বাকেরগঞ্জ জে এস ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বাকেরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জাকির জমাদ্দার এবং উপজেলা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ একটি পরিবারের যেমন উপকারে আসে, তেমনি অসংখ্য মানুষের জন্য অক্সিজেন, ছায়া ও খাদ্যের উৎস হিসেবে কাজ করে।
তারা আরও বলেন, সাংবাদিক সমাজ শুধু সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়; সমাজ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে জনসচেতনতা সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশ রক্ষায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে এবং বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বৃক্ষরোপণ শেষে উপস্থিত সকলে রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।
“আজকের একটি গাছ, আগামী দিনের নিরাপদ ভবিষ্যৎ”—এই প্রত্যয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।