কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের বিভিন্ন ইউনিয়নে গোমতী নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূঁইয়া কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি, মাজিদপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গোমতী নদীর তীব্র ভাঙনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ভাঙন প্রতিরোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জবাবে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, গোমতী নদী কুমিল্লা জেলার সাতটি উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তিতাস উপজেলার কয়েকটি স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
তিনি জানান, ভাঙন মোকাবিলায় ভিটিকান্দি ইউনিয়নে ৬৮ মিটার এবং কলাকান্দি ইউনিয়নে ৭৯ মিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ চুলারচরে আরও ৮০ মিটার এলাকায় অস্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মাজিদপুর ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া “লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা (আংশিক) জেলার সমন্বিত নদী, বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প”-এর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সমীক্ষার সুপারিশের ভিত্তিতে গোমতী নদীতে ড্রেজিং এবং স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে সংসদকে জানান তিনি।
এ ঘোষণায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত তিতাস ও হোমনা অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে।