সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

কুমিল্লা তিতাসের গাজীপুরে পীর শাহবাজ (রঃ)–এর তিনদিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ওরশ ও মেলা

মো: রমিজ উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা তিতাস, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার গাজীপুর গ্রামে অবস্থিত পীর শাহবাজ (রঃ)–এর মাজারকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর ৫, ৬ ও ৭ ফালগুন অনুষ্ঠিত হয় বাৎসরিক ওরশ মোবারক। তিনদিনব্যাপী এই ধর্মীয় আয়োজন ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

ওরশের সঠিক সূচনাকাল নিয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো লিখিত তথ্য পাওয়া যায় না। স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য ও লোকমুখে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, শত বছরেরও আগে থেকে এই ওরশ ও মেলার প্রচলন হয়ে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা এই আয়োজন আজও একই আবেগ ও ঐতিহ্য নিয়ে টিকে আছে।

ওরশ উপলক্ষে মাজারের সামনে অবস্থিত গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বসে বিশাল মেলা। কবে প্রথম এই মেলা বসেছিল, তারও নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে ধারণা করা হয়, ওরশের শুরুর সময় থেকেই মেলার আয়োজন যুক্ত হয়েছে। প্রতি বছর ফালগুনের ৫ তারিখ এলেই কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক প্রচার ছাড়াই লাখো মানুষ ভিড় করেন এই মেলায়। মেলায় শত শত অস্থায়ী দোকান বসে। গ্রামীণ হস্তশিল্প, খেলনা, মিষ্টান্ন, বিভিন্ন খাদ্যপণ্যসহ নানান পসরা সাজিয়ে ব্যবসায়ীরা হাজির হন। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে স্কুল মাঠ ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

ওরশের মূল আয়োজন থাকে মাজার প্রাঙ্গণে। সেখানে জিকির, দোয়া-মাহফিল ও ধর্মীয় আচার পালিত হয়। মাজারের চারপাশে অনেক পাগল-ফকির ও সাধক তাদের অস্থায়ী আস্তানা গড়ে তোলেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জিকির ও বাউল গান, যা ভক্তদের মাঝে সৃষ্টি করে এক ভিন্ন আবহ।
ধর্মীয় অনুভূতি, আধ্যাত্মিক চর্চা এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির সম্মিলনে গাজীপুরের এই ওরশ ও মেলা তিতাস উপজেলার অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত। বছরের এই তিনটি দিন ঘিরে শুধু গাজীপুর নয়, আশপাশের এলাকাও প্রাণ ফিরে পায়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102