কুমিল্লা তিতাস প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে কুমিল্লার মেঘনায় এক প্রবাসির ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসি আতঙ্কে আছে বলে অভিযোগ করেছেন থানায়।
শনিবার (১৭ মে ) থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এই প্রবাসি। সরেজমিন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৬ মে শুক্রবার রাধানগর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি গ্রামের তরব আলীর ছেলে মেহেদি কামালের টিনসেড চৌচালা ঘরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে তার ক্ষয়ক্ষতি হয় প্রায় ৭ লাখ টাকা। এ ঘটনায় কামাল মেঘনা থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ ও ৪/৫ জনকে আসামী করে মেঘনা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলো, আওলাদ হোসেনের ছেলে রাজিব মিয়া, ফজলু মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া, আওলাদ হোসেনের স্ত্রী রাজিয়া বেগম, মৃত রুক্কু মিয়ার ছেলে আওলাদ হোসেন, মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে সাব মিয়া, ডেঙ্গু মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম, রুহুল আমিন, মৃত আনছর আলীর ছেলে সহিদ উল্লাহ, কুদরত আলীর ছেলে আলাল মিয়া।
এবিষয়ে মেহেদি কামাল জানান, জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ডেঙ্গুর মিয়ার মেয়ে রাজিয়ার সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছে। আমি বিদেশ থাকা অবস্থায় সে আমার বাবা তরব আলী থেকে ১৫ শতক জায়গা প্রতারণা করে লিখে নেয়। ৩ কোটি টাকার বেশি জায়গা লিখে নেয়। তার ভাগিনা মুগারচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সোলায়মান ও ছাত্রলীগ নেতা বিল্লাল হোসেন এর নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধমকি দিচ্ছে এবং আমাদের উপর অন্যায় অত্যাচার করে আসছে। রাজিয়ার কিছু আত্মীয় স্বজন সচিবালয়ে চাকুরি করে, তাদের ক্ষমতায় সে আমাদের উপর অত্যাচার করছে এবং আগুন লাগিয়ে ঘর পুড়িয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও গ্রামবাসি মিলে সর্বাত্মক চেষ্টায় আগুন নিভায়। ততক্ষণে আমার সব শেষ হয়ে গেছে, প্রায় ৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মেঘনা থানার (ওসি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আমি ছুটিতে ছিলাম। অভিযোগ করে থাকলে তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অভিযুক্ত রাজিয়া বেগমের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি। কয়েকবার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।