তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা মো.ফারুক হোসেন ভূইয়াকে পেতে চায় দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। জানা যায়, তিনি ১৯৯২ সাল থেকে দলের একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। এরপর দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজের এজি এস নির্বাচিত হোন তিনি ১৯৯৩ সালে। এরপর তিনি ভারপ্রাপ্ত জিএস ছিলেন গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি ডিগ্রি কলেজের ১৯৯৫-৯৬ সাল পর্যন্ত।রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখায়, রাজপথ কাঁপানো এই লড়াকু সৈনিক মো.ফারুক হোসেন ভূইয়াকে ২০১৭ সালে তিতাস উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপর ২০২১ সালে তিতাস স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে তিতাস উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন করলে তাঁকে সেই কমিটির আহবায়ক নির্বাচিত করা হয়।
এছাড়াও কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ফারুক হোসেন ভূইয়া নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১৭ মে, শনিবার দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর সভা এবং তিতাস উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি ভেঙে দেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দলের জন্য মাঠে কাজ করতে গিয়ে ফারুক হোসেন ভূইয়ার নামে ১৩ টি রাজনৈতিক হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করেন স্বৈরাচার আ.লীগ সরকারের দোসরেরা। আ.লীগের দায়েরকৃত ১৩ টি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে তিন বার গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে আ.লীগের দোসরদের লেলিয়ে দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। দলের জন্য রাজনৈতিক মাঠে কাজ করতে গিয়ে সাবেক এই ছাত্রনেতা ফারুক হোসেন ভূইয়া তিন বারে ৭ মাস কারাবরণ করতে হয়েছে।
প্রকাশ থাকে যে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা সাবেক ছাত্রনেতা ফারুক হোসেন ভূইয়াকে দুনিয়া থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ২০১৭সালে গৌরীপুরের বাসা থেকে ভোর ৪ টার দিকে তাকে তুলে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।এরপর তাঁকে ক্রস ফায়ার দেওয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট আ.লীগের লেলিয়ে দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক চেষ্টা করে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা তাঁকে বেদম মা রধর করে ক্রস ফায়ার দেওয়ার জন্য চেষ্টা করলে তখন ঘটনাটি বিভিন্ন মিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হয়ে যায়।তখন তাকে ক্রস ফায়ার দিতে না পেরে তড়িঘড়ি করে তাঁকে কারাগারে প্রেরণ করতে বাধ্য হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আল্লাহর অশেষ রহমতে সেই যাত্রায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তিনি দলের জন্য নিরলস ভাবে রাজনৈতিক মাঠে কাজ করতে গিয়ে স্ত্রী, সন্তানসহ আত্মীয়-স্বজনকে নিয়মিত সময় দিতে পারেননি দলের দুঃসময়ের নিবেদিত ও ত্যাগী কান্ডারী ফারুক হোসেন ভূইয়া। আ.লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দলের ডাকা প্রতিটি আন্দোলন- সংগ্রাম ও মিছিল- মিটিং এবং সভা-সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেছেন নিজের জীবন বাজী রেখে তিনি। দলীয় প্রতিটি কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে আ.লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিতেন তিনি । তার সেই বক্তৃতায় স্বৈরাচার আ.লীগের শাসন ক্ষমতার ভীত কেঁপে উঠতো। আর সেই কারণেই আ.লীগের লেলিয়ে দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টার্গেট ছিলো রাজপথ কাঁপানো সাবেক এই ছাত্রনেতা মো.ফারুক হোসেন ভূইয়া।দলের ডাকা প্রতিটি আন্দোলন- সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করে তিনি আ. লীগের দুঃশাসনকালে লড়াই- সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন ধারাবাহিক ভাবে। সে কারণে একাধিক মামলা-হামলা শিকার হয়ে শারীরিক, মানসিক ও অর্থনীতিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হয়েছেন তিনি । একান্ত এক সাক্ষাৎ এ উপরোক্ত কথা গুলো তিনি বলেছেন।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক সফল মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার ও তাঁর সুযোগ্য উত্তর সূরী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এর বিশ্বস্থ রাজপথ কাঁপানো সৈনিক ফারুক হোসেন ভূইয়াকে পুনরায় তিতাস উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে পেতে চায় দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।