কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামে এক গৃহবধূর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবদল নেতা তোফায়েল আহমেদ খানকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি নিজেই।
৮ সকাল সাড়ে ১১টায় কড়িকান্দি বাজারস্থ নিজের অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “নিহত পারভীন আমার চাচাতো বোন। তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার বড় ছেলের বউ পারভীন ও ছেলে ফয়সালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার চাপ ও সামাজিক অপমান সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেন, যা সুরতহাল প্রতিবেদনে প্রমাণিত।”
তিনি আরও বলেন, “পুলিশ যাতে হয়রানি না করে, সেই উদ্দেশ্যে মামলার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। অর্থ লেনদেনের মিথ্যা গল্প যারা রটাচ্ছে, তারা মূল ঘটনা আড়াল করতে চায়। সাংবাদিকদের বলছি—অপসাংবাদিকতা নয়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কলম চালান।” সংবাদ সম্মেলনে নিহতের বড় বোন হোসনেয়ারা বলেন, “জানে আলমের ছেলে মোঃ শাহজাহান, সজিব মিয়া ও মোঃ আঃ হকের চাপেই আমার বোন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
নিহতের ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র রিফাত বলেন, “আমার মামা তোফায়েল খান আমাদের পরিবারের একজন অভিভাবকসদৃশ ব্যক্তি। তাকে ঘায়েল করতেই একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমাদের তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, বরং আমরা চাই তিনি আমাদের পাশে থাকুক। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হোক।
মৃত পারভীনের বালিশের নীচ থেকে তার সন্তানেরা একটি চিরকুট পায়, চিরকুটটিতে সে জানায় তার ছেলের শুশুর বাড়ীর লোকজনের মিথ্যা মামলা ও বিভিন্ন অপমান মুলক আচরন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ।