তিতাস কুমিল্লা মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা জেলা তিতাস উপজেলা বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ক্ষেত্রমতে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) এর আইন ২০০৯ এ ধারা ৩৩ অনুসারে চেয়ারম্যান এর অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনের দায়িত্ব প্রাপ্ত তিতাস উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী মাজিস্ট্রেট মিলন চাকমার স্বাক্ষরিত ইউনিয়ন পরিষদের এক তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিতে বলরাম পুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মো: আবুল কালাম আজাদ বলরাম পুর ইউনিয়ন গ্রাম আদালত পরিচালনার লক্ষে গ্রাম আদালত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য এবং প্রয়োজনীয়তা
প্রাচীনকাল থেকেই এদেশে পঞ্চায়েত নামে যে সংস্হা প্রচলিত ছিল তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ছিল স্হানীর বিচার কার্য সম্পাদন ও ঝগড়া –বিবাদের মীমাংসা করা । বৃটিশরা যদি ও প্রথমে এ দায়িত্ব স্হানীর সংস্হায় উপর অপর্ণ করেনি কিন্তু বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগেই ১৯১৯ সালে বঙ্গীয় পল্লী স্বায়ওশাসন আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন বোর্ডকে দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভর প্রকার মামলার বিচার করার হ্মমতা দেয়া হয় ।
বর্তমান বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্হার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত । গ্রামাঞ্চলের কিছু কিছু মামলার নিষ্পত্তি এবং তৎসম্পর্কীয় বিষয়াবলি বিচার সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ এর আওতায় এ আদালত গঠিত হয় এবং এটি একটি মীমাংসামূলক আদালত ।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা যেহেতু এলাকার সম্মানিত ব্যত্তি এবং জনপ্রতিনিধি সেহেতু তাদের দ্বারা আসল ঘটনার সত্যতা যাচাই করে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুজে বের করাই গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য। পরবর্তীতে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬”প্রণীত হয়। বর্তমানে গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ দ্বারা গ্রাম আদালত পরিচালিত হচেছ। এ আইনে ২১টি ধারা এবং ১টি তফসিল রয়েছে।