কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার দুই আসনের এমপি সহযোগিতায়, নতুন রাস্তার কাজের জটিলতা কাটাতে নিজের টাকায় জমি কিনলেন বিএনপির নেতা মিন্টু সরকার। তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি পশ্চিমপাড়া এলাকাবাসীর বহু বছরের স্বপ্ন অবশেষে সত্যি হতে চলেছে। তিতাসের মজিদপুর ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি পশ্চিমপাড়া নদীপাড় থেকে কাকিয়াখালী সংযোগ রবের বাড়ি পর্যন্ত একটি সম্পূর্ণ নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। হোমনা-তিতাস আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার বিশেষ সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এই জনগুরুত্বপূর্ণ নতুন রাস্তার কাজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই এলাকায় একটি নতুন রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা দীর্ঘ অনেক বছর আগের। কিন্তু রাস্তার নির্ধারিত জায়গার মধ্যে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ৮ শতক জমি পড়ায় তৈরি হয় তীব্র জটিলতা। ওই ৮ শতক জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নিয়ে গেলে মালিকের আর কোনো জায়গা অবশিষ্ট থাকে না, বিধায় জমির মালিক দীর্ঘ বছর ধরে এখানে রাস্তা নির্মাণে বাধা দিয়ে আসছিলেন। ফলে থমকে ছিল পুরো প্রকল্প।
এলাকাবাসীর বহু বছরের এই দুর্ভোগ ও যাতায়াত সংকট নিরসনে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম মিন্টু সরকার। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব তহবিল থেকে ৮ লাখ টাকা বাজারমূল্য দিয়ে ওই ৮ শতক জায়গাটি জমির মালিকের কাছ থেকে কিনে নেন এবং তা নতুন রাস্তার জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
নেতার এমন নিঃস্বার্থ ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগে বালুয়াকান্দি গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। এলাকাবাসী মাজেদুল ইসলাম মিন্টু সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন:
”বহু বছর ধরে আমরা একটা নতুন রাস্তার অপেক্ষায় ছিলাম। নেতা যদি হতে হয়, তবে ওনার মতোই হওয়া দরকার। নিজের পকেটের টাকা দিয়ে জমি কিনে আমাদের এত বড় একটা নতুন রাস্তা উপহার দিয়েছেন। আমরা ওনার জন্য মন থেকে দোয়া করি।”
যুবদল নেতা নজরুল ইসলামের বক্তব্য
এই নতুন রাস্তার কাজটি গ্রামে আনার পেছনে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন স্থানীয় যুবদল নেতা ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম। সফলভাবে কাজ শুরু হওয়ায় নিজের পজিটিভ বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন:
”বালুয়াকান্দি পশ্চিমপাড়ার মানুষের বহু বছরের লালিত স্বপ্ন ছিল এই নতুন রাস্তাটি। আমাদের অভিভাবক মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া মহোদয়ের আন্তরিক সহযোগিতা এবং জননেতা মিন্টু ভাইয়ের বিশাল উদারতায় আজ এই নতুন রাস্তার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। মিন্টু ভাই নিজের ৮ লাখ টাকা খরচ করে জমি কিনে এলাকার মানুষের জন্য যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, তা ইতিহাসে বিরল হয়ে থাকবে। জনগণের মুখে হাসি ফোটানো এবং এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য, আর এই নতুন রাস্তাটি সেই অগ্রযাত্রার শুরু মাত্র।”