বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে এক সাথে কাজ করার আাহবান সুনামগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) অপপ্রচার পেরিয়ে উন্নয়নের পথে: তিতাস-হোমনার নতুন আস্থার নাম সেলিম ভূইয়া উপসাগরীয় সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ও ওমান ঢাকার আগারগাঁওয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ESCAP এর ৮২তম অধিবেশনে টেকসই ভবিষ্যতের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানালেন ফকির মাহবুব আনাম এবছর ৬টি পাটকল লীজে দেওয়া হবে,বাড়াবে কর্মসংস্থান — বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে ভাটারা থানা পুলিশ ও সিটিটিসি

অপপ্রচার পেরিয়ে উন্নয়নের পথে: তিতাস-হোমনার নতুন আস্থার নাম সেলিম ভূইয়া

মো: রমিজ উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :

রাজনীতির মাঠে অপপ্রচার নতুন কিছু নয়; বরং এটি অনেক সময় বাস্তব কাজকে আড়াল করার একটি পুরোনো কৌশল। তবে সময়ই শেষ পর্যন্ত সত্যকে সামনে নিয়ে আসে। কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূইয়ার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সেই চিরচেনা সত্যকেই আবারও প্রমাণ করছে।

নির্বাচনের আগে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে ঘিরে নানা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালালেও বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সেই অপপ্রচার আজ অনেকটাই নিষ্প্রভ। কারণ, তিনি কথায় নয়—কাজের মধ্য দিয়েই নিজের অবস্থান তুলে ধরতে শুরু করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি মাঠমুখী রাজনীতির এক ভিন্ন চিত্র উপস্থাপন করেছেন। গ্রাম থেকে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের কথা শোনা, তাদের সমস্যার গভীরে প্রবেশ করা এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া—এসবই এখন তার নিয়মিত কর্মসূচির অংশ। ফলে এলাকাজুড়ে এক ধরনের আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তার এই নিরবচ্ছিন্ন জনসম্পৃক্ততা অনেকের কাছেই প্রয়াত এমকে আনোয়ারের রাজনৈতিক ধারা ও জনঘনিষ্ঠ নেতৃত্বের স্মৃতি জাগিয়ে তুলছে। অল্প সময়েই তিনি যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

একজন জনপ্রতিনিধির মূল্যায়ন কখনোই খণ্ডিত ঘটনা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত নয়। বরং তার কাজের ধারাবাহিকতা, জনকল্যাণে প্রতিশ্রুতি এবং উন্নয়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি—এসবই হওয়া উচিত প্রকৃত মানদণ্ড। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া ইতোমধ্যেই একজন দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে তার উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। নতুন ভবন নির্মাণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি নির্মাণ করছে। শিক্ষা যে একটি জাতির মেরুদণ্ড—এই উপলব্ধিই তার কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হচ্ছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বহু প্রতীক্ষিত ঘাগুটিয়া-ঝগড়ারচর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ শুধু একটি অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি একটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও সামাজিক অগ্রগতির নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতীক। বাস্তবায়নের পর এটি স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে—এমন প্রত্যাশা এখন সর্বত্র।

স্বাস্থ্যখাতে তার পদক্ষেপও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। হোমনা সরকারি হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য ও বিস্তৃত করবে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো—যেমন কবরস্থান, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে বরাদ্দ প্রদান—সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করেছে।
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার সরব উপস্থিতি একটি ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।
এমনকি রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও বিরোধী মহলের অনেক নেতার কাছ থেকেও তার কাজের স্বীকৃতি পাওয়া গেছে—যা তার গ্রহণযোগ্যতা ও আন্তরিকতারই প্রতিফলন।

সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবতার পূর্ণ প্রতিফলন নয় বলেই অনেকেই মনে করছেন। একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন—এই দৃষ্টিভঙ্গিটিও সমানভাবে বিবেচনার দাবি রাখে।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন শক্তিশালী, তেমনি এর ব্যবহারে দায়িত্বশীলতাও অত্যন্ত জরুরি। সমালোচনা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে তা হতে হবে তথ্যভিত্তিক, ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক।
উন্নয়ন কোনো একদিনের বিষয় নয়; এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা সময়, পরিকল্পনা এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাস্তব রূপ পায়। তাই ক্ষণিকের কোনো ঘটনা দিয়ে একজন কর্মমুখী জনপ্রতিনিধির সামগ্রিক অবদানকে খাটো করা ন্যায়সংগত নয়।

সবশেষে বলা যায়, তিতাস-হোমনার মানুষ এখন উন্নয়নকেই দেখতে চায়—বিতর্ক নয়। আর সেই উন্নয়নের পথে যদি নেতৃত্বে থাকেন একজন মাঠমুখী, দায়বদ্ধ ও কর্মঠ প্রতিনিধি, তবে প্রত্যাশার আলো আরও উজ্জ্বল হবেই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102