কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশনের এসএসসি-২০১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত স্মৃতিচারণ ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি সকলের পদচারণায় মুখরিত ছিলো। এতে প্রায় অর্ধ-শতাধিক বন্ধু অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হন। সবাইকে আবার একসঙ্গে পেয়ে যেন কর্মজীবনের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছিল সাবেক শিক্ষার্থীদের। পুরোনো ক্যাম্পাসকে নতুন করে ক্যামেরাবন্দি করে রাখতে ছিল অনেক কসরত। প্রাণের বিদ্যালয়ে মধুর মিলনে সতীর্থরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে বন্ধুত্বের নতুন বন্ধন তৈরি করেন। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একই মিশেলে মিলিত হন বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গনে ‘ ফিরে দেখা: সুন্দর স্মৃতির ডাক” এই স্লোগান নিয়ে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুনর্মিলনীতে বন্ধুরা বিভিন্ন সময়ে দেশে- বিদেশে অবস্থানরত ব্যাচের বন্ধুদের স্মরণ করেন এবং তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আয়োজক শিক্ষার্থীরা পুরানো বন্ধুদের বিভিন্ন তথ্যসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। গান, আড্ডা আর কৌতুকে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান। সুখ-দুঃখের স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ ঘটে। এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার জন্য এ আয়োজন।
এসময় যারা উপস্থিত থেকে প্রোগ্রামটিকে প্রাণবন্ত করেছে তারা হলেন, আশিকুর রহমান, শরিফ, আল ইমরান, মোঃ রাসেল মিয়া, পলাশ, হৃদয়, সাবউদ্দিন, আকরাম হোসেন, শামিম, সোহান, ইসমাইল, কাউছার হামিদ, কামরুল, কাইয়ুম, কবির, সজল, কাউছার, জাহিদ, রাজু, আলামিন, সম্রাট, শরিফ, আরিফ, জুয়েল ও নাজির প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহকারি শিক্ষক নাসরিন আক্তার কনা ও সহকারি শিক্ষক সালমা আক্তার প্রমূখ।
প্রবাস থেকে ইসমাইল হোসেন মামুন বলেন,
আজকের এই আনন্দঘন দিনে প্রবাসে থাকায় তোমাদের সাথে থাকতে পারলাম না… খুব মিস করেছি তোদের সারাদিন মনে হচ্ছিলো, যদি আজকে তোদের মাঝেই থাকতে পারতাম!
স্কুল জীবনের সেই সোনালী স্মৃতিগুলো আজ খুব মনে পড়ছে… প্রিয় শিক্ষকদের সাথে কাটানো সেই সময়গুলোও বারবার মনে পড়ছে। কিন্তু আমার পরিবারের কাছে খাবার পাঠিয়ে যে ভালোবাসা আর সারপ্রাইজটা দিলি, তাতে সত্যিই মনটা ভরে গেছে।
দূরে থেকেও তোরা যেভাবে আমাকে মনে রেখেছিস, এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া।
অসংখ্য ধন্যবাদ বন্ধুরা।