রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
কাগজে আদেশ, কাজে নেই প্রয়োগ: ‘সিদ্ধান্ত-পলায়ন’ সংস্কৃতিতে ধুঁকছে দেশের বীমা খাত সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় এনসিপির এখনই জোট থেকে বের হয়ে যাওয়া উচিত: মীর স্নিগ্ধ শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন কুমিল্লা তিতাসে অসহায় ও গরিব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে কাপড় বিতরণ কুমিল্লা দাউদকান্দিতে আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস পালিত দেশের দৃশ্যমান উন্নয়নের পেছনে প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে ———গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বাংলাদেশে লিঙ্গ বৈষম্য এবং ন্যায়বিচারের সুযোগ আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আশুলিয়ায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার নামে ‘ডাক্তার’ পরিচয়, নেই ট্রেড লাইসেন্স ও ড্রাগ লাইসেন্স প্রশ্ন উঠছে বৈধতা নিয়ে!

আশুলিয়ায় ফার্নিচার দোকানে নির্যাতন ওমুক্তিপণ বাণিজ্য: পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন, এসআই রাসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

শেখ রাসেল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

শেখ রাসেল, আশুলিয়া প্রতিনিধি:

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া ছয়তলা এলাকায় একটি ফার্নিচারের দোকানকে কেন্দ্র করে অপহরণ নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনার তদন্তে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক প্রশ্ন ও ক্ষোভ।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১২ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে জামগড়া ছয়তলা এলাকার একটি ফার্নিচারের দোকানে মো. জীবন নামে এক ব্যক্তিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় কয়েকজন। পরে দোকানের ভেতরে আটকে রেখে তাকে জিম্মি করা হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে মুক্তি দিতে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একই চক্র এর আগেও সবুজ নামে এক দিনমজুরকে চুরির অপবাদ দিয়ে ওই একই ফার্নিচারের দোকানের ভেতরে আটকে রেখে নির্যাতন করে। সেই সময় তার পরিবারের কাছ থেকেও প্রায় ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে সর্বশেষ ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান এবং প্রশাসনকে অবগত করেন। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা সরাসরি আশুলিয়া থানার এসআই রাসেলকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে আসার অনুরোধ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে আসছে এ খবর জানতে পেরে দোকানের মালিক রাব্বি ওরফে ফিটিং রাব্বি নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। কল করে তিনি দাবি করেন, তার ফার্নিচারের দোকানে একজনকে আটকে রাখা হয়েছে এবং তাকে মারধর করা হচ্ছে, তবে তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বরং অভিযুক্তদের আইনের হাতে তুলে দিতে চান বলেও জানান। স্থানীয়দের মতে, এতে করে তিনি নিজেকে দায়মুক্ত করার চেষ্টা করেছেন।

এরপর আশুলিয়া থানা থেকে এসআই রাসেলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি আগেই অবগত করা হলেও তিনি সরাসরি ঘটনাস্থলে না গিয়ে প্রথমে জামগড়া ছয়তলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেখানে ফিটিং রাব্বির সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন এবং কিছু সময় একসঙ্গে অবস্থান করেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সাক্ষাতের পর তারা একসঙ্গে ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর থেকেই এসআই রাসেলের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

সাংবাদিকরা জানতে চান, অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তিনি কী ধরনের আলামত পেয়েছেন এবং ৯৯৯ কলের ভিত্তিতে তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে। তবে এসব প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, এসআই রাসেলের সঙ্গে অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলেই তার আচরণে এমন পরিবর্তন দেখা গেছে। তাদের প্রশ্ন, কেন তিনি সরাসরি ঘটনাস্থলে না গিয়ে আগে আলাদাভাবে অভিযুক্তদের সঙ্গে দেখা করলেন? কেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে অনীহা দেখালেন?

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করত, তাহলে অপরাধীরা এতটা সাহস পেত না। আমরা চাই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক।

ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা চাই যারা এই কাজ করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের দায়িত্ব হলো জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার বিষয়ে জবাবদিহিতা করা। কিন্তু এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার আচরণ উল্টো সন্দেহ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত চক্র এবং তাদের সম্ভাব্য সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই রাসেল এর সেল নাম্বারে ০১৭৪৫৭০৬১৩৭ ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি, আশুলিয়া থানার অফিস ইনচার্জ ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার কে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি মিটিংয়ে আছি এই ব্যাপারে পরে কথা বলব সরকারি নাম্বার ০১৩২০০৮৯৪০৩।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১১ অপরাহ্ণ
  • ১৬:২৬ অপরাহ্ণ
  • ১৮:১১ অপরাহ্ণ
  • ১৯:২৪ অপরাহ্ণ
  • ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102