কুমিল্লা তিতাস, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা তিতাসে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৭(সাত) জন আহত হয়েছে।
আহতদের তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে এবং ৪ জনকে তিতাস স্ব্যাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় ও বাকী ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আজ ২১ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় তিতাস উপজেলাধীন বলরামপুর ইউনিয়ন পাংঙ্গাশিয়া পূর্ব পাড়া বাতাকান্দি টু মাছিমপুর সড়কের উত্তর দুর্গাপুর পশ্চিম পাশে শহিদ মিয়ার ছ মিলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন প্রতিবন্ধী মো: শহিদ মিয়া এবং শহিদ মিয়ার স্ত্রী মোসা: আলেহা বেগম ( ৬০), শহিদ মিয়ার পুত্র বধু মোসা: হনুফা ( ৩২) স্বামী সোহেল মিয়া,মোসা: হালিমা ( ৩৫) স্বামী : বিল্লাল হোসেন, মোসা: মৌসুমী আক্তার (৩০) স্বামী, মো: জুয়েল, মো: জুয়েল (৩৬)পিতা সহিদ মো: জুনায়েদ (১৪) পিতা : মো: সফিক।
হামলার বিষয়ে আহত আলেহা বেগম বলেন আমার স্বামী পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে এবং ক্রয় সূত্রে এই জায়গার মালিক,যেহেতু আমার স্বামী পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে মালিক সেহেতু এই সম্পত্তি সিএস, আরএস এবং বিএস মালিকানা ভিত্তিতে আমরাই দখলদার এবং ভোগ দখল করে আসছি।
হঠাৎ বলরামপুর গ্রামের রফিক স্বর্ণকার, মরহুম মরম আলীর ছেলে মনির হোসেন, মাছিমপুর গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে গিয়াস উদ্দিন,মাছিমপুর গ্রামের আয়েত আলীর ছেলে মো: বশির আহমেদসহ আরো অপরিচিত ২০- ২৫ জন লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের জমির উপর জোর পূর্বক ঘর তোলার চেষ্টা করতেছিলো।
আমি এবং আমার ছেলের বউয়েরা বাধা দিতে গেলে পরিকল্পিতভাবে রফিক, মনির ,গিয়াস ও বশির সহ ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর হামলা করে। আমরা হামলার ভিডিও করতে গেলে আমাদের হাতে থাকা ৩টি মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে যায় এবং তিনটা স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়।
আমরা ন্যায় বিচারের জন্য থানায় মামলা করবো।
হামলার অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিন মোবাইল ফোনে বলেন আমরা মৃত মাদবর আলীর দুই মেয়ে মাজেদা ও সাফিয়া পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পূর্ব বলরামপুর মৌজায় পৃথক দুইটি বি এস খতিয়ানে একাধিক দাগে মালিক ও দখলদার থেকে আমাদের নিকট সাবকবলা দলিলে বিক্রি করলে আমরা উল্লেখিত জমি ক্রয় করি এবং আমাদের নামে নামজারী করি।
আমাদের ক্রয়কৃত ভৃমি আমরা দখল করতে গেলে শহিদ মিয়ার স্ত্রী ও ছেলের বউয়েরা বাঁধা দেয় ও গালাগালি শুরু করে এবং আমাদের উপর চড়াও হয়।
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও গালাগালি হয় কিন্তু হাসপাতাল গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে এ ধরনের হামলা হয়নি।