কুমিল্লা তিতাস, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য, প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বর্তমানে হোমনা-তিতাসের মানুষের আস্থা ও আশার প্রতীক। তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া কেবল একটি আবেগী দাবি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট।
১. প্রয়াত এমকে আনোয়ারের শূন্যতা ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য :
এই আসনের প্রয়াত নেতা, সাবেক মন্ত্রী এমকে আনোয়ার (সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী) ছিলেন জাতীয় রাজনীতির একজন স্তম্ভ। তাঁর সময়ে হোমনা-তিতাসে যে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছিল, তা আজও স্থানীয়রা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। সেই উচ্চতা ও রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণের জন্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার মতো একজন অভিজ্ঞ ও সজ্জন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
২. শিক্ষা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা :
অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ। জাতীয় পর্যায়ের একটি বিশাল শিক্ষক সংগঠন (জাতীয় শিক্ষক সমিতি) পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে। তাঁর এই প্রশাসনিক দক্ষতা ও শিক্ষিত পরিচ্ছন্ন ইমেজ (Clean Image) দেশ গঠনে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
৩. সুশাসন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ :
স্থানীয় জনগণের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে আসার পর এলাকায় চাঁদাবাজি, বালুমহলের অবৈধ বালু উত্তোলন এবং চোরাকারবারির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হ্রাস পেয়েছে। এই ‘শান্তির রাজনীতি’ অব্যাহত রাখতে এবং এলাকার উন্নয়নকে জাতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে তাঁর হাতে প্রশাসনিক ক্ষমতা (মন্ত্রিত্ব) থাকা জরুরি।
৪. মেঘনা-তিতাস তীরের উন্নয়নে বিশেষ নজর :
নদীবেষ্টিত এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবকাঠামো এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী থাকলে এই জনপদ অবহেলিত থাকবে না। স্থানীয় জনগণের বিশ্বাস, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া মন্ত্রী হলে হোমনা-মেঘনা-তিতাস আধুনিক ও মডেল জনপদে রূপান্তর হবে।
৫. তৃণমূলের আস্থা ও জনপ্রিয়তার মূল্যায়ন :
বিগত সময়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়েও তাঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস করা যায়নি। ‘দৈনিক ঐশী বাংলা’ সহ স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে, তা থেকে স্পষ্ট যে তিনি এখন হোমনা- তিতাস ও মেঘনার ‘হৃদয় রাজ্যের বাদশা’। জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত গণদাবিকে সম্মান জানানো হলে তা দল ও সরকারের জনপ্রিয়তাকে আরও সুসংহত করবে।
অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া মানে কেবল একজন ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা নয়, বরং কুমিল্লার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের কোটি মানুষের উন্নয়ন ও আস্থার প্রতিফলন ঘটানো। এটি এমকে আনোয়ারের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে এলাকার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ।
-প্রতিবেদক
ড. এ আর জাফরী
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক ঐশী বাংলা।
ধর্ম সচিব :
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন।