আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নুরি আল-মালিকিকে ইরাকের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও সামরিক অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ী হিসেবে দেখা হয়। সম্প্রতি দেশটির পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়া রাজনৈতিক জোট কো-অর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্কের ঘোষণা- নুরি আল মালিকিকে আবারও প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। দেশটির সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ইরানপন্থী হিসেবে পরিচিত।
ইরাকের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নুরি আল মালিকিকে মনোনীত করায় বেজায় চটেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি উদ্বেগের সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ক্ষমতায় এলে ইরাকের ওপর আসবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকিস্বরুপ লিখেছেন, নুরিকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলে দেশটিতে মার্কিন সহায়তাবন্ধ হবে।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরাকে নুরি আল-মালিকিকে আবারও প্রধানমন্ত্রী বানানো খুব খারাপ একটা সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। নুরি শেষবার ক্ষমতায় থাকার সময় দেশটি দারিদ্র্য আর চরম বিশৃঙ্খলায় ডুবে যায়। এটি আবার হতে দেওয়া উচিৎ না। তিনি আবার নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে আর কোনো ধরনের সহায়তা দেবে না।
তবে ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন নুরি। তিনি বলেছেন, ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।