তিতাস কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লা তিতাসে শাশুড়িকে পা’নিতে চু’বিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় জড়িত মূল আ’সামী জামাল শিকদারকে ঢাকার আশুলিয়া থেকে গ্রে’প্তার করেছে র্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
গত রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর এলাকা থেকে তাকে আ’টক করে।
আ’টককৃত আ’সামী মোঃ জামাল সিকদার (৫০) তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের
শিবপুর গ্রামের সিকদার বাড়ির মোঃ দিলু মিয়া সিকদারের ছেলে।
র্যাব সুত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ কুমিল্লা জেলার তিতাস থানাধীন মজিদপুর ইউনিয়নের শিবপুর সাকিনস্থ শিকদার বাড়িতে জামাতা কর্তৃক শাশুড়িকে পানিতে চু’বিয়ে হ’ত্যার ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, আ’সামী জামাল উদ্দিন ভিকটিম সুফিয়া বেগম (৭০) এর মেয়ের জামাই। ঘটনার দিন আ’সামী তার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ধরাকে কেন্দ্র করে তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে গা’লমন্দ করে। একপর্যায়ে তার মেয়ে মারিয়া আক্তার (১৭)’কে মা’রধর ও লা’থি মেরে গুরুতর আ’হত করে। এসময় মারিয়া আক্তার মাটিতে পরে যায় এবং জ্ঞা’ন হা’রিয়ে ফেলে। তখন পরিবারের অন্যান্য লোকজন তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করায়।
উক্ত ঘটনাটি আ’সামীর শাশুড়ি জানতে পেরে আ’সামীর বাড়িতে আসে এবং আ’সামীকে তার মেয়েকে মারার কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের উভয়ের মধ্যে বা’গ্বিতণ্ডা হয়। বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে আ’সামী জামাল উদ্দিন ক্ষী’প্ত হয়ে তার শাশুড়ি সুফিয়া বেগমকে মা’রধর করে এবং তাকে কোলে তুলে নিয়ে গিয়ে বাড়ির পাশের একটি খালের পা’নিতে চু’বিয়ে হ’ত্যা করেন। এ ঘটনাটি প্রতিবেশীরা দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আ’সামী জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পা’লিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের নাতি বাদি হয়ে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানায় একটি হ’ত্যা মামলা দয়ের করেন।
উক্ত হ’ত্যার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারিত হলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। আলোচিত এই খু’নের ঘটনার সাথে জড়িত আ’সামীকে গ্রে’ফতারের লক্ষে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারী, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি আ ভিযানিক দল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ডেন্ডাবর এলাকা হতে উক্ত হ’ত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় ১ নং আ’সামী মোঃ জামাল সিকদারকে গ্রে’প্তার করে।
এসময় আ’সামীর হেফাজত হতে ১ টি মোবাইল ফোন এবং নগদ-১১,০০০/-টাকা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা র্যাব-১১ ও সিপিসি-২ এর কোম্পানি অধিনায়ক সাদমান ইবনে আলম জানান, গ্রে’ফতারকৃত আ’সামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।