কুমিল্লা তিতাস, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড নাগেরচর-দুর্গাপুর গ্রামের জনগণ স্থানীয় সড়ক সংস্কার কাজে প্রতিবন্ধকতা দূর করে দ্রুত নির্মাণ কাজ সম্পন্নের দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
৩১ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে নাগেরচর-দুর্গাপুর গ্রামের প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, সরকারি উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু হলেও দুর্গাপুর গ্রামের প্রবেশদ্বারে কিছু জায়গায় জমি সংক্রান্ত সমন্বয়হীনতার কারণে রাস্তার প্রস্থ সীমিত রাখা হচ্ছে। ফলে সরকারি নকশা অনুযায়ী কাজ না হওয়ায় সড়কটি সরু হয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বড় যানবাহন চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বলরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজনু পাঠান, সাধারণ সম্পাদক এম এ ছাত্তার, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুজ্জামান লিটন,
আবদুর রহিম ভূঁইয়া, মো. মোখলেছুর রহমান মোল্লা, মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং মো. হাবিব প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, রাস্তা সংস্কারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন মোশাররফ চেয়ারম্যানের ছেলে আনিসুর রহমান জুয়েল ও আনিছ। তাদের কারণেই রাস্তাটি হচ্ছে না।
তারা আরও বলেন,
> “উন্নয়ন কাজের নামে কোনো প্রভাবশালী মহল জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করতে পারবে না।
প্রশাসন অবিলম্বে বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। যাতে সরকারি মাপ অনুযায়ী পূর্ণ প্রস্থে রাস্তা সংস্কার সম্পন্ন হয়।” মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন: মো. সুবিদ আলী, মো. তৈয়ব আলী মোল্লা, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, মো. আলী আকবর, নুর মোহাম্মদ, আবদুর রব মিয়া, হবি মিয়া, এস এম শাহজাহানসহ এলাকার প্রায় শতাধিক মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেন।
এ বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম মোশাররফ হোসেন এর ছেলে জিএম আনিসুর রহমান জুয়েল বলেন, রাস্তাটি প্রশস্তকরনের সুবিধায় আমার বাড়ীর ৪০০ ফুট সীমানাপ্রচীর ভেঙে দিয়েছি। এতে আমার প্রায় পনের লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তারপরও আমার উপর বলরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ সাত্তার ব্যক্তিগত আক্রোশে মানহানি করার জন্য ও আর্থিক লাভের প্রত্যাশায় রাস্তা নিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। তিনি আমার প্রতিবেশীদের দিয়ে রাস্তার হালটের জায়গা দুইপাশে সমভাবে না নিয়ে আমার উপর জোরপূর্বক ও বৈষম্য করে যাচ্ছে। এককভাবে আমি জায়গা দিব কেন? দুইপাশ থেকেই জায়গা নিতে হবে। রাস্তার দক্ষিণ পাশ দিয়ে ৩ ফুট খাস জমি থাকা স্বত্তেও কেন আমার উপর এত চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে?
আমারও প্রশাসনের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর পূর্ণ আস্থা আছে। যদি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় তাহলে রাস্তাটির জন্য এবং এলাকাবাসীর জন্য উপকার হবে। আমি চাই সঠিকভাবে কাজটি হোক।