কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় সৎ মাকে কু’পিয়ে হ’ত্যার অ’ভিযোগ উঠেছে শাহিন মুন্সি (২৫) নামের এক যুবকের বি’রুদ্ধে। গত বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃ’ত্যু হয়।
নি’হত হালিমা খাতুন (৩৪) সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির দ্বিতীয় স্ত্রী। অ’ভিযুক্ত শাহিন মুন্সি এমদাদুল হক মুন্সির চতুর্থ ছেলে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীর মৃ’ত্যু হলে চার ছেলে ও তিন মেয়ের বাবা ৭৫ বছর বয়সী এমদাদুল হক মুন্সি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দুই মাস আগে তিনি দাউদকান্দির জয়নগর এলাকার হালিমা খাতুনকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। চার ছেলে সৌদিপ্রবাসী হলেও ছোট ছেলে শাহিন মুন্সি আট মাস আগে দেশে ফেরেন এবং বাড়িতেই থাকছিলেন।
এমদাদুল হক মুন্সি বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে আমি শৌচাগারে যাই। ফিরে এসে দেখি স্ত্রী বিছানায় কা’তরাচ্ছে, আর চারদিকে র’ক্ত ছ’ড়িয়ে আছে। ডা’কচিৎ কার দিলে পরিবারের লোকজন ছুটে আসে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে কুমিল্লা মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। ’পুত্রবধূ শিরিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা পাশের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ শ্বশুরের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি, শাহিন ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। আর সৎ শাশুড়ি র’ক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় প’ড়ে আছে। ’বাতাঘাসী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ জানান, এমদাদুলের দ্বিতীয় বিয়েকে পরিবার মেনে নিয়েছিল। কেন শাহিন এমন ঘটনা ঘটাল, তা কেউ বলতে পারছে না। ঘটনার পর থেকে শাহিন প’লাতক।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে ম’রদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ম’রদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নি’হত নারীর স্বামী এমদাদ মুন্সি অ’ভিযোগ করেছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।