সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কুমিল্লা তিতাসের বলরামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সম্ভাব্যপ্রার্থী লিটন শিকদারকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধকে মীমাংসা’র নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা প্রতারণার অভিযোগ

শেখ রাসেল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

শেখ রাসেল, আশুলিয়া প্রতিনিধি:

ভুক্তভোগী তরুণীর দাবি, আজিজুল সহ কয়েকজন নিজেকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাঁড় করিয়ে ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে অর্থ ও অলংকার আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণের ঘটনার পর আজিজুল ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে আশ্বাস দেন যে, তিনি বিষয়টি সমাধান করবেন এবং অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে সম্পন্ন করবেন। তার কথায় বিশ্বাস করে পরিবারটি মানসিকভাবে ভরসা পায় এবং সামাজিক চাপের মধ্যে পড়ে তার পরামর্শ মেনে চলতে থাকে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, আজিজুল বারবার বলেন – “আমি আছি, দাও, কোনো সমস্যা নাই। যা হইছে হইছে, তোমার সাথে এই ছেলের বিয়ে আমি করিয়ে দেব।” এই আশ্বাসের ভিত্তিতে তিনি মেয়েটির অলংকার ও নগদ অর্থ ধর্ষকের হাতে তুলে দিতে চাপ সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে আরও টাকা নেওয়া হয়।

কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পর জানা যায়, অভিযুক্ত যুবক পলাতক। তখন আজিজুল দায় এড়িয়ে যান এবং পূর্বের প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন করেননি। এতে করে ভুক্তভোগী পরিবার দ্বিগুণ ক্ষতির শিকার হয় – একদিকে ধর্ষণের শিকার, অন্যদিকে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অর্থ ও সম্পদ হারানো।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যেখানে মূল অভিযুক্তের পাশাপাশি আজিজুলের বিরুদ্ধেও সহযোগী হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণ একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, যার কোনো ধরনের আপস বা মীমাংসা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এ ধরনের ‘মীমাংসা’র নামে প্রভাব খাটানো, ভুক্তভোগীকে বিভ্রান্ত করা এবং অর্থ আদায় করা – সবই দণ্ডনীয় অপরাধের আওতায় পড়ে।

স্থানীয়দের দাবি, আজিজুলের মতো ব্যক্তিরা সমাজে বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে এবং অপরাধীদের রক্ষা করছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102