সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

আশুলিয়ায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসের অভিযোগে বিতর্কিত ‘ইয়াবা সজীব’, ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারের দাবি এলাকাবাসীর

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চলে নিজেকে ছাত্রদলের নেতা পরিচয় দিয়ে মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে সজীব চৌধুরী ওরফে “ইয়াবা সজীব”-এর বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে এবং তাকে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সজীব চৌধুরী যুবদল নেতা মামুন চৌধুরীর ভাগিনা। রাজনৈতিক এই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নিজেকে ছাত্রদলের প্রভাবশালী নেতা দাবি করে বিভিন্ন সময় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় দাপট দেখানোর অভিযোগও করেছেন অনেকেই।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, “ইয়াবা সজীব” নামে পরিচিত এই ব্যক্তি নিয়মিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করেন এবং তার আশপাশে একটি সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন। সহজে অর্থ উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও গোপনে জুয়ার আসর বসানো এবং মাদক সেবনের আড্ডা তৈরির মাধ্যমেও এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে এই চক্র বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সজীব চৌধুরীর সঙ্গে কিছু কিশোর গ্যাং সদস্যের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করা হয়। ফলে এলাকার তরুণ সমাজের একটি অংশ ধীরে ধীরে মাদকের ভয়াল থাবায় আটকে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

এদিকে এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবাদী সংবাদ প্রকাশ করায় এক স্থানীয় সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক সাম্প্রতিক সময়ে হুমকি ও অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সজীব চৌধুরী ওই সাংবাদিককে নিজের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসামূলক পোস্ট ও সংবাদ প্রকাশের জন্য চাপ দেন। কিন্তু সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করলে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করা হয় এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, সজীব চৌধুরী বিভিন্ন জায়গায় নিজেকে ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। এ পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ফিটিং বাণিজ্যসহ নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন তারা।

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, এই সজীবকে নিয়ে এলাকায় অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক আছে। ছোট ছোট ছেলেদের নিয়ে দল বানিয়ে নানা ধরনের অপকর্ম করায়। কেউ প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেয়।

সাংবাদিকরা যখন মাদক বা কিশোর গ্যাং নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন, তখনই তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। সম্প্রতি এমন সংবাদের জের ধরেই সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর প্রশ্ন – এত অভিযোগ ও বিতর্কের পরও কীভাবে সজীব চৌধুরীর মতো একজন ব্যক্তি ছাত্র সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন।

স্থানীয়দের দাবি, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে হলে দ্রুত এই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি ছাত্রদলের ভাবমূর্তি রক্ষায় সজীব চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের জন্য দলীয় নেতাদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102