সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

এবার সংসদে যাচ্ছেন বিএনপির ৭ ‘বিদ্রোহী’

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

শেষ পর্যন্ত বিএনপির সাত ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ না পেয়ে তারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখন ধানের শীষ ও জোট প্রার্থীদের সঙ্গে তারাও সংসদে যাবেন।

বিজয়ী স্বতন্ত্ররা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, চাঁদপুর-৪ আসনের আব্দুল হান্নান, কুমিল্লা-৭ আসনের আতিকুল আলম শাওন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সালমান ওমর রুবেল এবং দিনাজপুর-৫ আসনের রেজওয়ানুল হক।

দলীয় নানান উদ্যোগের পরও ধানের শীষ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সারা দেশের অর্ধশতাধিক আসনে বিএনপির ‘অভিমানী’ নেতারা স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে যান। বিশেষ করে শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৬ আসনের ১২টিতেই নির্বাচনের মাঠে ছিলেন তারা। এতে করে তৃণমূলে বিএনপির ভোট কার্যত বিভক্ত হয়ে যায়। যে কারণে অধিকাংশ আসনে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। তবে ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে প্রাথমিকভাবে দলের মনোনয়ন পান বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। পরে এই আসনটিতে চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ পান সৈয়দ এহসানুল হুদা। ১২ দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই চেয়ারম্যান বিএনপিতে যোগদান করে ‘ধানের শীষ’ পান। পরে ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসিরকে প্রার্থী করে দল। ধানের শীষ না পেয়ে এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হন বিএনপির সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে দলের রাজস্ব ও ব্যাংকিংবিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশীদকে প্রার্থী করে বিএনপি। জেলার সর্বাধিক প্রবাসী অধ্যুষিত এ আসনটি বিএনপির অপ্রতিদ্বন্দ্বী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। তবে ধানের শীষ না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বহিষ্কার হন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান।

বিএনপিতে যোগদান করে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ পান এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ। আর ধানের শীষ না পেয়ে এখান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনে ধানের শীষ পান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। ধানের শীষ না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর রুবেল। এ জন্য তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হন।

দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে ব্যারিস্টার এ কে এম কামরুজ্জামানকে প্রার্থী করে বিএনপি। তবে ধানের শীষ না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বহিষ্কৃত হন রেজওয়ানুল হক

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102