সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

দুদকের মা মলায় খালাস পেলেন এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান

মো: রমিজ উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি,  মোঃ রমিজ উদ্দিন :

দুদকের দায়ের করা অর্থ আ ত্মসাৎ এর মা মলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি’র মহাসচিব সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ। একই সাথে ৫০ লাখ টাকা জ রিমানার রায়ও বাতিল করা হয়। ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসন থেকে ৪ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২ বার তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক খসরুজ্জামান এর একক ব্যঞ্চ বেকসুর খালাস এর ওই রায় প্রদান করেন। ওই মা মলার অপর আসামী মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের তৎকালীন মহাসচিব শাহ আলম চৌধুরীকে আগেই খালাস দেওয়া হয়েছিলো। এর আগে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ-২ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এর আদালত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ৫০ লাখ টাকা আ ত্মসাতের মা মলায় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমেদের ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলো। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানার রায় প্রদান করেছিলো। এ ব্যাপারে এলডিপি’র কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আবুল কাশেম বলেন- ২০২৩ সালের ওই রায় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পিত ও পূর্ব নির্ধারিত ডিজাইনের অংশ ছিলো। আমরা মা মলা দায়েরের পর থেকেই বলে এসেছি এটি মিথ্যা মা মলা।

২০২৩ সালে রায়ের পর পরই বিএনপি মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই রায়কে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এছাড়াও ওই সময় এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ মা মলাটি অসত্য ও রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের জনগণের নিকট থেকে দূরে রাখার পরিকল্পিত ছকের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

১/১১ পরবর্তী সময়ে ফখরুদ্দীন-মইনুদ্দিন সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ ক্রান্তের অংশ হিসেবে ২০০৭ সালে অর্থ আ ত্মসাতের অ ভিযোগ এনে রাজধানীর রমনা থানায় রেদোয়ান আহমেদসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মা মলা করে দুদক। মা মলার অপর দুই আ সামি হলেন- মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের তৎকালীন চেয়ারম্যান কবির আহমেদ ও মহাসচিব শাহ আলম চৌধুরী। পরে ২০২০ সালের ২০ আগস্ট রেদোয়ান ও শাহ আলমের বিরুদ্ধে অ ভিযোগ গঠন করে আদালত।

এ ব্যাপারে ড. রেদোয়ান আহমেদ এর আইনজীবী এস.এম শাহজাহান বলেন, দুদক তার এখতিয়ার বহির্ভূত ভাবে ওই মা মলাটি দায়ের করেছিলো। অর্থ আ ত্মসাৎ এর বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ফলে মা মলাটি ছিলো সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।

এ ব্যাপারে ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেন- এক-এগারোর সরকার সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেই মা মলা দায়ের করেছিলো। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে প্রভাব খাটিয়ে তাদের নেতাকর্মীদের সকল মা মলা প্রত্যাহার করে। কিন্তু বিরোধী পক্ষকে দমন পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে আমাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মা মলাগুলো বহাল রেখে রেখেছিলো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102