কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার হোমনায় চারটি মাজার ও বসতঘরে আ’গুনসহ ভা’ঙচুরের ঘটনায় মা’মলা হওয়ার ৭২ ঘণ্টার পর দুইজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে আছাদপুর এলাকা থেকে মো. ইব্রাহিম ও মো. শহীদুল্লাহ নামের দুজনকে আ’টক করা হয়। তবে পুলিশের ভাষ্য, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রে’ফতারের চেষ্টা চলছে। আজ গ্রে’ফতারকৃত দুই ব্যক্তিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রে’ফতারকৃত ইব্রাহিম মোহাম্মদ আনু মিয়ার ছেলে এবং আব্দুল আউয়ালের ছেলে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তাদের বি’রুদ্ধে রি’মান্ডের আবেদন করার কথা জানিয়েছেন মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আ’পত্তিকর পোস্টকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের আসাদপুর গ্রামে এ হা’মলা হয়। এতে চারটি মাজার ভা’ঙচুর ও বসতঘরসহ অ’গ্নিসংযোগের শিকার হয়। ঘটনার দিন রাতে হোমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাপস কুমার সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ২২শ’ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেন।
হোমনা থানার ওসি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম রবিবার বিকেলে জানান, আমরা দুজন ব্যক্তিকে আ’টক করেছি, পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে ৪টি মাজারে হা’মলা চালানো হয়েছে, মাজারগুলো হলো আসাদপুর গ্রামের কফিল উদ্দিন শাহের মাজার, আবদু শাহের মাজার, কালাই (কানু) শাহের মাজার ও হাওয়ালি শাহের মাজার। এদিকে খোদেদাউদপুর লেংটা শাহ মাজারে হা’মলা করে স্থানীয় তৌহিদ জনতা জানা যায়।
স্থানীয়রা জানান, কফিল উদ্দিন শাহের ছেলে আলেক শাহের নাতি মহসিনের বিরুদ্ধে গত বুধবার সকালে ফেসবুকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আ’পত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে গ্রে’প্তার করে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এরপর উ’ত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে মহসিনের বাড়িতে হা’মলা চালিয়ে কফিল উদ্দিন শাহের মাজার ভা’ঙচুর করা হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় একটি টিনশেড ও দুটি টিনের বসতঘর ভে’ঙে অ’গ্নিসংযোগ করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে অন্য আরও ৪টি মাজারেও হা’মলা চালানো হয়।