কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের
কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের সিকদার বাড়ি নিবাসী ও অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব ফজলু রহমান সিকদারের জানাজায় মানুষের ঢল নেমে আসে। ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় উপজেলার কালাইগোবিন্দপুর হজরত শেখ বদিউজ্জামান (রাঃ) মহিলা দাখিল মাদরাসা মাঠে মরহুম আলহাজ্ব ফজলু রহমান সিকদারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
মরহুমের জানাজা পূর্ব মুহূর্তে তাঁহার স্মৃতি চারণে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন-কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার, মরহুমের ভাতিজা দাউদুজ্জামান সিকদার লিটন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আক্তারুজ্জামান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর ইঞ্জিনিয়ার শামীম সরকার বিজ্ঞ, রঘুনাথ মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইমাম হোসেন, গাজীপুর আজিজিয়া আলীম মাদরাসা অধ্যক্ষ মো.আবদুর রউফ, মাথাভাঙ্গা ভৈরব উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি মো.জসিমউদদীন, কালাইগোবিন্দপুর হজরত
শেখ বদিউজ্জামান মহিলা দাখিল মাদরাসা সুপার মো.সেলিম মিয়া ফখরুল, সাজ্জাদ হোসেন সিকদারসহ আরও অনেক। মরহুমের জানাজায় তিতাস উপজেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার থেকে আগত অসংখ্য মুসল্লীরা অংশ গ্রহণ করেন।ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে মরহুম আলহাজ্ব ফজলু রহমান সিকদারের বড় ছেলে আমেরিকা প্রবাসী ফয়েজ আহমেদ সিকদার তাঁর মরহুম পিতার জন্য উপস্থিত মুসল্লীদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
মরহুমের জানাজায় পরিচালনা করেন মাওলানা আবু ইউসুফ ও কবি খলিলুর রহমান। মরহুমের জানাজায় ইমামতি করেন সিকদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মো.ইব্রাহিম খলিল,দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ওবায়দুল হক ছিদ্দিকী। এরপর পারিবারিক কবরস্থান তাঁকে দাফন করা হয়। শিক্ষকতা শেষে অবসর জীবনে এসে তিনি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।সেগুলো হলো: কালাইগোবিন্দপুর (চিতলিয়াকান্দা) গণকবরস্থান, কালাইগোবিন্দপুর বায়তুন নুর জামে মসজিদ, কালাইগোবিন্দপুর কবরস্থান মসজিদ, কালাইগোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাইগোবিন্দপুর শেখ বদিউজ্জামান হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, কালাইগোবিন্দপুর শেখ বদিউজ্জামান মহিলা এতিমখানা, কালাইগোবিন্দপুর ইসলামি
পাঠাগারসহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা করে গেছেন তিনি। উল্লেখ্য,গত সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজনসহ গুনগাহী রেখে গেছেন।