কুমিল্লা প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
আজ (১৯ আগস্ট) মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন খেলার মাঠে মনসা দেবীর দশমী বিকেল ৩.০০ টায় অনুষ্ঠিত হবে। সকল পূজা অর্চনাকারীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন আয়োজনকারীগণ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদ উল্ল্যাহ।
সর্পের দেবী মবসা:
মনসা (সংস্কৃত: मनसा) হলেন একজন পৌরাণিক হিন্দু সর্প/নাগ দেবী। দেবীর উল্লেখ মহাভারত সহ দেবীভাগবত পুরাণ আদি অনেকানৈক পুরাণে দেবী মনসার উল্লেখ পাওয়া যায়। তিনি প্রধানত পূর্ব্বভারতীয় অঞ্চল অবিভাজিত বঙ্গদেশ,অঙ্গদেশ, মিথিলা, কামরূপ এবং উৎকলে যেকোনো বিষধর প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা ও বিষের প্রতিকার পেতে, প্রজনন ও ঐশ্বর্যলাভের উদ্দেশ্যে তার পূজা করা হয়। মনসা ঘট স্থাপন করে পুজো করা হয়। মনসা নাগ-রাজ বাসুকীর ভগিনী এবং ঋষি জরৎকারুর স্ত্রী। তার অপর নামগুলি হল বিষহরি বা বিষহরা (বিষ ধ্বংসকারিণী), নিত্যা (চিরন্তনী) ও পদ্মাবতী।
শিবের স্বীকৃতকন্যা মনসা। জরৎকারু মনসাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মনসার মা চণ্ডী (শিবের স্ত্রী পার্বতী) তাঁকে ঘৃণা করতেন কিন্তু পরবর্তীতে মাতা চণ্ডী মনসাকে নিজের মেয়ের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। কোনো কোনো ধর্মগ্রন্থে আছে, শিব নয়, ঋষি কশ্যপ হলেন মনসার পিতা। মনসাকে ভক্তবৎসল বলে বর্ণনা করা হলেও, যিনি তার পূজা করতে অস্বীকার করেন, তার প্রতি তিনি নির্দয়। জন্ম-সংক্রান্ত কারণে মনসার পূর্ণ দেবীত্ব প্রথমে অস্বীকার করা হয়েছিল। তাই মনসার উদ্দেশ্য ছিল দেবী হিসেবে নিজের কর্তৃত্ব স্থাপন করা এবং একটি একনিষ্ঠ মানব ভক্তমণ্ডলী গড়ে তোলা। তার সাথে মিশরীয় দেবী আইসিসের মিল রয়েছে।