স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুরের মানুষ সবসময়ই গর্ব করেন তাঁদের কৃতী সন্তানদের নিয়ে। সেই গৌরবের তালিকায় এবার যুক্ত হলো আরেকটি নাম—আলমগীর গণি। তিনি সম্প্রতি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং মেহেরপুরবাসীর জন্যও এক বড় প্রাপ্তি।
আলমগীর গণি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা, সংগঠন ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ করেছেন। মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি হিসেবে স্থানীয় সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার মেহেরপুর প্রতিনিধি ছিলেন। ছাত্রজীবনে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি কলেজে পড়াশোনা করে তিনি যে প্রজ্ঞা, সততা ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভেতর দিয়ে বেড়ে উঠেছেন, তা আজ জাতীয় পর্যায়ে তাঁকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।
পেশাগত দায়িত্ব ছাড়াও তিনি নানা সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। তিনি JSS কল্যাণ ট্রাস্ট এবং BNS – Bangladesh Nagorikadhikar Sangstha-এর সভাপতি। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, মেহেরপুর পাবলিক লাইব্রেরি এবং রুগী কল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য। এর মাধ্যমে সমাজকল্যাণ, মানবিক কার্যক্রম ও শিক্ষাচর্চায় তাঁর দায়বদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুহম্মদ আলতাফ হোসেন যে স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন, সেই সংগঠনকে আরও গতিশীল করার প্রয়াসে ১৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে নতুন জাতীয় পরিষদ গঠিত হয়। আর সেই পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে আলমগীর গণির যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই অর্জন মেহেরপুরবাসীর জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের জন্যও এক নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত। আমরা আশা করি, আলমগীর গণি তাঁর নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও দেশপ্রেম দিয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।
“মেহেরপুরের কৃতী সন্তান আলমগীর গণিকে অভিনন্দন।”