মোঃ রবিউল ইসলাম, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
গতকাল ২৯ জুলাই ২০২৫ খ্রীঃ “দৈনিক নবচিত্র পত্রিকায় প্রকাশিত ঝিনাইদহ খাদ্য গুদামে সরবরাহকৃত গম নিম্নমানের বা খাওয়ার অযোগ্য প্রমাণিত হয়নি” শিরোনামে প্রকাশিত(১ম এবং৩য় পৃষ্ঠাতে) প্রতিবেদন টি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, যা পড়ে আমি শুধু অবাকই হয়নি হতবাকও হয়েছি। প্রতিবেদনটিতে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে যা শুধু ওই প্রতিবেদকের মন গড়া। আমি মোস্তাফিজুর রহমান এল বি লিটন বিগত স্বৈরাচার সরকারের শাসন আমলে ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে অনেক সংকটে পড়েও কখনো আওয়ামীলীগ বা যুবলীগ করিনি কিন্তু ঐ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে আমি মোস্তাফিজুর রহমান এল বি লিটন নাকি যুবলীগের নেতা, যা আমার জন্য অত্যন্ত মানহানিকর ও বেদনাদায়ক। আমি ঐ প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা এবং ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি উনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।আমি হরিণাকুণ্ডু প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি যার সভাপতি এবং সম্পাদক দুই জনই যুবদলের উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ দ্বায়িত্বশীল নেতা এবং আমি হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি এতে কি সহজেই অনুমেয় নয় যে, আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
আমার পুরা পরিবার বিএনপির রাজনীতি করে। বিগত সময়ে আমার ছোট ভাই অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছে। প্রতিবেদক সাহেব মনগড়া যুবলীগ নেতা বানিয়ে দিলেন? আমি সেই সাংবাদিককে শ্রদ্ধা করতাম, এখন শ্রদ্ধার পরিবর্তে ঘৃণা প্রদর্শন করলাম।দ্বিতীয় কথা হলো সেদিন ঝিনাইদহ খাদ্য গুদামে যা হয়েছিল তা সম্পূর্ন সদর উপজেলা এল এস ডি জাহাঙ্গীর হোসেনের কারণে হয়েছে, মাল ভাল না খারাপ তা আমি ট্রাক মালিক হয়ে দেখার এখতিয়ার নেই, কিন্তু ১৭ জুলাই ভোর রাতে যখন আমার এবং আমার ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের চারটি ট্রাক ঝিনাইদহ খাদ্য গুদামে পৌছায় তখন এলএসডি মালের গুনাগুন যাচাই করে ট্রাক আনলোড করতে লেবারদের বাধা দেয়। বলে মালের মান অত্যন্ত খারাপ এই মাল আমি ডেলিভারি করে গুদামে সংরক্ষণ করবো না, মাল খুলনাতে ফেরত পাঠাবো। এভাবে দুদিন দেরি করার পর ১৮ জুলাই দুপুরের পর আমি উপজেলা এলএসডির কাছে এই ট্রাকের ক্ষতিপূরণ দাবি করি এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের বিষয়টি অবগত করি।
ইতিমধ্যে ঝিনাইদহের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত হয়, তখন সাংবাদিক এবং তার উপস্থিতিতে বিষয়টি মিমাংসা হয়। আমার ট্রাক আটকায়ে রাখার দায়ে কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়। ১৮ তারিখে খুলনার একটা টিম ঝিনাইদহে আসে এবং গম গুদামে সংরক্ষনের জন্য চাপ দেয়, আমার ৮/১০ জন লেবার এসব ঘটনা উপলব্ধি করে। শেষ ট্রাকটি আনলোডের সময় সাংবাদিক ভায়েরা পৌছে গমের স্যাম্পল নেই, যাতে দেখা যায় ওই মালগুলো খুবই নিম্ন মানের খাওয়ার অযোগ্য। তাদের নিকট ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। আমি এই কালোকে সাদা করার নিউজ এবং আমার সম্পর্কে দেওয়া তথ্যের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মোস্তাফিজুর রহমান এল বি লিটনসভাপতি, হরিণাকুণ্ডু ট্রাক মালিক সমিতি,সিনিয়র সহ-সভাপতি, হরিণাকুণ্ডু প্রেসক্লাব,ঝিনাইদহ। তাং ২৯/০৮/২৫