হাসমত আলী, দামুড়হুদা চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে মালয়েশিয়া এসে এখন লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন দামুড়হুদার ফিরোজ। মা-বাবা ও পরিবারর স্বপ্ন রয়ে গেছে স্বপ্নই। সুখের মুখ দেখার শুরুতেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ফিরোজ (২৪)। গত (২৫ মে) রোববার মালয়েশিয়ায় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সে দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের আরামডাঙ্গা গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে।
ফিরোজ অভাবের সংসারে মা-বাবা, ভাই-বোনের মুখে হাসি ফুটাতে প্রায় ৫ বছর পূর্বে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি। ধীরে ধীরে অভাব ঘুচাতে শুরু করেছিলেন। সুখের মুখও দেখার পালা এসেছিল এবার। কিন্তু তার আগেই তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। গত ২৫ মে রোববার ফার্মের কাজ করতে করতে তার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাথে সাথেই তিনি মারা যান। তার সহপাঠীদের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এরপরই পরিবারে নেমে আসে অমানিশার অন্ধকার। বাড়িতে কান্নার রুল পড়ে। তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন। ছেলেকে হারিয়ে মা-বাবা পাগল প্রায়।
গত শনিবার সকালে ( ৩১মে) ফিরোজের লাশ ঢকা এয়ারপোর্টে পৌঁছায়। তারপর ঢাকা থেকে বেলা ১২ টার দিকে নিজ বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার আরামডাঙ্গার উদ্দেশ্য রওনা দেন। সন্ধ্যার দিকে ফিরোজের লাশ নিজ বাড়িতে পৌছালে দেখা দেয় হৃদয়বিদারক দৃশ্য ভারী হয়ে উঠে আকাশ বাতাস।
ঐদিনই রাত ১০ টার দিকে নিজ গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পুর্ন করা হয়।