কুমিল্লা তিতাস প্রতিনিধি, মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার তিতাসে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি’র অভিযোগ করেছে মানিককান্দি গ্রামের কতিপয়, মুরব্বি ও যুবক। সরেজমিনে ও অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, মানিককান্দি গ্রামের কিছু ওয়ারেন্টভূক্ত এবং বিভিন্ন মামলার আসামী হাইধনকান্দি গ্রামে বসবাস করে নানা অপকর্ম করে এবং রাত বিরাতে চুরি-ডাকাতির চেষ্টা করে মানিককান্দি গ্রামে।
এই বিষয়টি হাইধনকান্দি গ্রামের মুরব্বি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানাতেই ৮ এপ্রিল সকাল ৬ টায় হাইধনকান্দি গ্রামে যান লতিফ ভূইয়ার নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল। এর মধ্যেই নাজির মিয়া, দ্বীন আলী, তৌফিক মিয়া ও রায়হান উদ্দিনের নেতৃত্বে আমাদের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়।
এবিষয়ে মানিককান্দি গ্রামের আব্দুল লতিফ ভূইয়া বলেন, মানিককান্দি গ্রামের কিছু দুষ্কৃতিকারী, ওয়ারেন্টের আসামী হাইধনকান্দি গ্রামে বসে বসে মানিককান্দি গ্রামকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। প্রতিদিনই চুরি ডাকাতি করার চেষ্টা করছে।
তারা যাতে এমনটি না করে হাইধনকান্দি গ্রামের কিছু মাতব্বরকেজানাতেগিয়েছিলাম।
পরে অর্তকিতভাবে আমাদের উপর হামলা করে। তাৎক্ষণিক এলাকার লোকজন বিষয়টি মিমাংসা করে দেবেন বলে আমাদেরকে বিদায় করে দেন।
আমরা বাড়িতে চলে আসি। পরে শুনি ২৮ জনের নাম উল্লেখ ও ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত রেখে একটি মামলা দায়ের করে।
বিষয়টি হাস্যকর। মামলার ২১ নম্বর আসামী শাহাবুদ্দিন পিতা শাহজাহান, সে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রবাসে চলে যায়। সে মামলার আসামী।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এসফার সদস্য ও তিতাস মুক্ত স্কাউটসের সাবেক সিনিয়র রোভার মেট মোঃ সাব্বির হোসেন ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে। সে উপস্থিত ছিলো না। তাকেও আসামি করা হয়েছে। সে যে কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলো, তার হাজিরাবহি ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রমাণ।
এছাড়াও মৃত মোহন মিয়ার ছেলে মোঃ বিল্লাল হোসেন স্ট্রোক করে কুমিল্লার একটি হাসপাতালে
তাকেও আসামি করা হয়েছে। সে হাসপাতালে ভর্তি আছে অনেক আগে, অথচ ঘটনা ঘটেছে পরে।
এলাকাবাসী জানান, কোন প্রকার তদন্ত ছাড়া মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
হাইধনকান্দি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলেন, মানিককান্দি গ্রামের কিছু লোক আমাদের কাছে আসে কিছু নালিশ নিয়ে। তারা শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের উদ্দেশ্যে আসেন নাই। পরে শুনলাম কে বা কারা হট্টগোল পাকিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিষয়টি মোটেও উচিত হয় নি। মামলার বিষয়টি মোটেও উচিত হয় নি।
এ বিষয়ে মামলার বাদী মোঃ রায়হান উদ্দিনের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায় নি। পরে মোবাইল ফোনে কল করা হলে কল রিসিভ না করে সিম বন্ধ করে দেয়। তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহিদ উল্যাহ বলেন, বিষয়টির সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।