আলী আহসান রবি :
তারিখঃ ১৬/০৫/২০২৬ খ্রিঃ।
অদ্য রাত আনুমানিক ০১:১০ ঘটিকায় শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলাধীন ১০০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আসা মোঃ লাল মিয়া কাজীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, রোগীর স্বজন ও উপস্থিত কিছু লোকজন জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাছির উদ্দীন এর উপর চড়াও হয়ে তার উপর হামলার করেন এবং তাকে মারধোর করতে করতে রুমের বাহিরে নিয়ে যায়।
এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইডি নং-৩৮৩২৩ আনসার মোঃ সোহেল এবং আইডি নং-৮৯৬২৯ আনসার মোঃ আজিজুল হক তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্ষিপ্ত জনতাকে বাধা প্রদান করেন। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ডিউটিরত আনসার সদস্য মোঃ সোহেল আইডি নং- ৩৯৫৬৭ ক্যাম্প ইনচার্জ মোঃ আব্বাস উদ্দিনকে ফোন দিয়ে ক্যাম্পে উপস্থিত সকল আনসার সদস্যদের ডেকে এনে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্বরত চিকিৎসককে রোগীর স্বজনদের মারধোরের হাত থেকে রক্ষা ও হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে মৃত্যু ব্যক্তির স্বজনদের শান্ত করা হয় এবং তাদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
*উক্ত ঘটনায় ডিউটিরত আনসার সদস্য মোঃ সোহেল এবং আইডি নং-৯৯১২৮ আনসার মোঃ কাউসারের
সঙ্গে রোগীর স্বজনদের হস্তাহস্তিতে আনসার মোঃ সোহেল বাম হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং আনসার মোঃ কাউসার ডান হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাদের এক্সরে করানোর পর হাতে ব্যান্ডেজ করানো হয় এছাড়াও আইডি নং-৪১০২২ আনসার মোঃ ইমরান কোমরে ও আইডি নং-৩৯৫৬৭ এপিসি মোঃ আব্বাস উদ্দিন ঘাড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের ০৪ জনকে চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেন।
উল্লেখ্য, জেলা হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল স্হানে মাত্র ২ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের যে কোন সংঘবদ্ধ মব হামলা মোকাবেলা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডিউটি করতে হচ্ছে। যথাযথ কার্যকর নিরাপত্তা ডিউটি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন মাফিক গার্ড সদস্য মোতায়েন করতে হবে।