সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও রক্তের প্রয়োজন মেটাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত বার্ন ইনস্টিটিউটে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ২১ জুলাই ২০২৫

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটসহ সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় আমরা এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ১৭ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করছি। তারা সবাই শিশু। এদের মধ্যে ৭ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হচ্ছে, পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

বর্তমানে দেশের সাতটি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুরুতে আহতরা উত্তরার কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি হলেও এখন মূলত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ও সিএমএইচ-এ রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। বার্ন ইনস্টিটিউটে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৪৪ জন, এবং এর মধ্যে ৯ জন ভেন্টিলেশনে আছেন। সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন ২৫ জনের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। সব মিলিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮৮ জন বলে জানানো হয়।

ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘আহত শিশুর সংখ্যা ১০০ এর বেশি এবং অন্যান্যরা ১৫ জনের কাছাকাছি হবে। এই আহত ১০০ জন শিশুর মধ্যে অল্পকিছু আছে যারা চিকিৎসা নিয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি গিয়েছে। বাকিরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রক্তের প্রয়োজন সম্পর্কে ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, “এই মুহূর্তে আহত রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত মজুত আছে। তবুও কাল (মঙ্গলবার) থেকে ধাপে ধাপে রক্ত প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আগ্রহী রক্তদাতাদের বার্ন ইনস্টিটিউট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফিউশান সেন্টারে রক্তদানের আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত রক্ত সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। একটি যুক্তিসঙ্গত সংখ্যক রক্তদাতা হলেই যথেষ্ট হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চিকিৎসকদের কাজ করতে দিন। হাসপাতালে কেউ বিনা প্রয়োজন প্রবেশ করবেন না। ইনফেকশন প্রতিরোধে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই না কোনো রোগী সংক্রমণের কারণে মারা যাক।”

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন জানান, “বর্তমানে ইনস্টিটিউটে আইসিইউ সিট আছে ২০টি এবং এসডিওতে রয়েছে আরও কয়েকটি শয্যা। রোগীদের অনেকের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে, তাই তাদের জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “বাইরের কেউ রক্ত নিচ্ছে, এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখন পর্যন্ত বার্ন ইনস্টিটিউট বা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্ধারিত ব্লাড সেন্টার ছাড়া অন্য কোথাও রক্ত সংগ্রহ কার্যক্রম চালু নেই। আগ্রহীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আপনারা নির্ধারিত ব্লাড ব্যাংকেই রক্ত দিন।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে প্রতি ৬ ঘণ্টা অন্তর নিয়মিত ব্রিফিং হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102