সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কুমিল্লা তিতাসের বলরামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সম্ভাব্যপ্রার্থী লিটন শিকদারকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

বেরিবাধ ও ইছামতি নদী পরিদর্শন “আর কাউকে নদী দখল করতে দেব না” — ব্যারিস্টার নজরুল

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাশিয়াখালী :

সোনাবাজু বেরিবাধ ও ইছামতি নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সোমবার (১৪ জুলাই) ইছামতি নদী পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের প্রতি বেরিবাধের মূল নদীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্লুইসগেট স্থাপনের জোর দাবি জানান।

তিনি বলেন, “ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করেই এই অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। নদীটি ছিল কৃষিপণ্য পরিবহনের প্রধান পথ এবং জেলেদের জীবিকার উৎস। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখানে স্লুইসগেট না দিয়েই বেরিবাধ নির্মাণ করা হয়েছে, ফলে বর্ষাকালেও নদীতে প্রয়োজনীয় পানি থাকছে না। এতে করে মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।”

ব্যারিস্টার নজরুল আরও বলেন, “বিগত সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ চাষ করা হয়েছে। এমনকি জেলেদের নদীতে নামতেও দেওয়া হয়নি। এই অবস্থা আর চলতে দেওয়া যাবে না। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করব — আর কাউকে নদী দখল করতে দেব না।”

তিনি বলেন, “দেশের সর্বোচ্চ আদালত নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু ইছামতির ক্ষেত্রে তা বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে না। সুইসগেট না থাকায় নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কচুরিপানায় ভরে উঠেছে। কয়েক মাস পর এই কচুরিপানা পচে দুর্গন্ধ ছড়াবে, পরিবেশ হবে দূষিত। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীটি একেবারে হারিয়ে যাবে।”

এই সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ সদর থানা জামায়াতের আমীর ও ঢাকা জজ কোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহিম খলিল, নবাবগঞ্জ পশ্চিমের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদসহ জামায়াত ও শিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102