খবর বিজ্ঞপ্তিঃ রাজধানীর এসকেএস টাওয়ার এর সেনা গৌরব হলরুমে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ এর একমাত্র জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর “ইউনিট ম্যানেজারদের (ইউএম) অর্ধ-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫” অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি (অবঃ)।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আস্থা লাইফের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, জীবন বীমা খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে এবং জীবন বীমায় মানুষের আস্থার সংকট দূর করতে আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অধীনে আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী গঠিত হয়। আর এ লক্ষ্য অর্জনে কোম্পানীর অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে ইউনিট ম্যানেজারগণ যেভাবে সেনাবাহিনীর আদর্শ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা, স্বচ্ছতা, বিশ্বস্ততা ইত্যাদির প্রতিফলন ঘটিয়ে জনগণের সেবায় ও বীমা শিল্পে গ্রাহক সেবা নিশ্চিতকরণে কাজ করে চলেছেন তা প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, আস্থা লাইফের প্রিমিয়াম সংগ্রহে প্রবৃদ্ধি অর্জন, লাইফ ফান্ড প্রায় ৫০ কোটিতে উন্নতিকরণ, প্রায় শতভাগ বীমা দাবি নিষ্পত্তিকরণ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অর্জনে ইউনিট ম্যানেজারগণের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টা অনস্বীকার্য। এহেন ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইন্স্যুরেন্স খাত প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স বর্তমানে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বীমা সেবার আওতা বৃদ্ধি করার জন্য দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বীমা সেবার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরাসহ বিভিন্ন সেনানিবাসে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচীর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পরিশেষে, তিনি সকলের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের সুখ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আস্থা লাইফের ইউনিট ম্যানেজারগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পারস্পরিক মতবিনিময়, সেলস পলিসি বিষয়ক কর্মশালা, পোডাক্ট বা পরিকল্প পরিচিতি, বীমা বিপণনের প্রচলিত ভ্রান্তিসমূহ আলোচনা ও উত্তোরণের উপায় পর্যালোচনা, গ্রুপ বীমার মৌলিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা, বেস্ট পারফর্মাদের বক্তব্য এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। এছাড়াও সকল ডিপার্টমেন্ট প্রধানগণের উপস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠানের প্রাণ-চাঞ্চল্যতায় এক অন্যতম মাত্রা যোগ করে।