সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
দিয়াবাড়িতে পশুর হাটের নির্ধারিত সীমানার বাইরে মেইন রোড থেকে সব পশু সরিয়ে দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক লিবিয়া থেকে ১৭০ বাংলাদেশি ফিরেছেন জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আমাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, বাংলাদেশে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আমাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের নিবন্ধন, সনদ ও উচ্চশিক্ষায় অগ্রগতির বিষয়গুলোকে সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ দুপুরে নিজ কার্যালয়ে Bangladesh English Medium School Assistance Foundation (BEMSAF)-এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর বিদ্যমান সমস্যা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে।

প্রতিনিধিদল জানায়, বর্তমানে ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে Edexcel এবং CAIE (Cambridge Assessment International Education) পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করে থাকে। শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগতভাবেও নিবন্ধনের সুযোগ পান। তবে স্কুলভিত্তিক সনদ না থাকলে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। অনেক শিক্ষার্থী এ ক্ষেত্রে এমন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করেন, যেগুলোর প্রকৃত অস্তিত্ব নেই। এতে ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রতিনিধিদল অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN (Educational Institution Identification Number) ব্যবহার করে এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) অনুমোদন সাপেক্ষে Edexcel ও CAIE-এর নিবন্ধনের ব্যবস্থা করার দাবি জানায়। পাশাপাশি নবম শ্রেণি থেকে প্রাক-নিবন্ধন (Pre-registration) প্রক্রিয়া চালুরও প্রস্তাব দেয়।

প্রতিনিধিরা আরও বলেন, স্কুল চলাকালীন সময়ে কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চালু থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, শৃঙ্খলাবোধ ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হচ্ছে। তাই এ সময়ে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার দাবি জানান তারা। এছাড়া, Edexcel এবং CAIE পরীক্ষার নিবন্ধন ফি অত্যধিক হওয়ায় তা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিনিধিরা। তারা নিবন্ধন ফি সহনীয় পর্যায়ে আনার অনুরোধ জানান।

প্রতিনিধিদল দেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমের আওতাভুক্ত স্কুল, মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে English Speaking Club গঠনে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। তাদের মতে, এটি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যৎ দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে অবদান রাখবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102